বছর পাঁচেক আগে পৃথিবীময় গ্রাস করেছিল করোনা ভাইরাস। তখন ঘর থেকে বের হওয়া বারণ ছিল। সেই সময় ঘর বন্দি জীবনযাত্রায় নানা গল্প তৈরি হতো। অনেকেরই তখন রান্না করে সময় কাটতো। রেসিপি নিয়ে চলতো নানা নিরীক্ষা। সেই সময়ের ঘরবন্দি জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমা ‘জয়া আর শারমিন’।
যেটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।
শুক্রবার (১৬ মে) দেশের চারটি প্রেক্ষাগৃহে পিপলু আর খান পরিচালিত ‘জয়া আর শারমিন’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে।
স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা শপিং মল (পান্থপথ), এসকেএস টাওয়ার (মহাখালী) এবং সীমান্ত সম্ভার (ঝিগাতলা)-এ চলছে সিনেমাটি। পাশাপাশি কেরানীগঞ্জের লায়নে সিনেমাটির প্রদর্শনী থাকছে। নির্মাতা জানান, প্রথম সপ্তাহে দর্শকদের ফিডব্যাক ইতিবাচক থাকলে পরের সপ্তাহ থেকে হল সংখ্যা বাড়তে পারে।
জয়া এ সিনেমাতে অভিনেত্রী জয়া আহসান এবং শারমিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মঞ্চ অভিনেত্রী মহসিনা আক্তার। যৌথভাবে সিনেমার গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পিপলু আর খান ও নুসরাত ইসলাম। প্রযোজনায় পিপলু আর খানের অ্যাপেল বক্স ও জয়া আহসানের ‘সি তে সিনেমা।
জয়া আহসান অভিনীত ‘নকশী কাঁথার জমিন’ সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। পাঁচ মাসের ব্যবধানে প্রেক্ষাগৃহে তিনি ‘জয়া আর শারমিন’ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে আসলেন।
জয়া বললেন, করোনা মহামারির সময় যখন সবাই নিজেদের সঙ্গে সময় কাটাতে বাধ্য হয়েছিল, তখনকার সেই অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবিও বলা যায় সিনেমাটি। লকডাউনে মানুষের ঘরবন্দি জীবনের গল্প বলতে গিয়ে জয়া নিজেও ডুবে গিয়েছিলেন সেই আবেগে।
তার মতে, অতিসংকীর্ণ পরিসরে গভীর আবেগ নিয়ে তৈরি হওয়া এ ছবিটি দিনশেষে দর্শকের চেতনায় বহু দিন থেকে থাকা অনবদ্য অনুভূতি ফের জাগিয়ে তুলবে।
‘জয়া আর শারমিন’ শুধু দু’জন নারীর বন্ধুত্বের গল্প নয়; বরং করোনাকালের মানুষের একাকীত্ব, সামাজিক ভেদাভেদ এবং মানবিক সহানুভূতির প্রতিফলন। এমন গল্প আজকের দর্শকের আবেগকে ছুঁয়ে যাবে বলে আশাবাদী জয়া আহসান।









