ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রী ফুলপরী খাতুন নিরাপত্তার সাথে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাবনা ও কুষ্টিয়া পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে তাকে ক্যাম্পাসে দিয়ে যায়।
এদিকে আজ শনিবার দুপুরে ফুলপরীকে নির্যাতনের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা চৌধুরী অন্তরাসহ পাঁচ ছাত্রীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়াও তাদেরকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না সে ব্যপারে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কার করা হবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের গণরুমে সাড়ে চার ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগ করেন ফিন্যান্স বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুন।
নির্যাতনের সময় তাকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, গালাগাল ও ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এ বিষয়ে ফুলপরী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হলের প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্র উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
নির্যাতনের ঘটনার পর থেকে ফুলপরী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্থান করছিলেন। গত বুধবার (১ মার্চ) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্দেশ দেন ভুক্তভোগী ফুলপরি যে হলে থাকতে চায় তাকে সে হলের আবাসিকতা দেওয়ার।
এ ব্যাপারে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, ফুলপরীর পছন্দমতো বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হলে তাকে তুলে দেয়া হয়েছে। ফুলপরী বলেছেন, তার মনে এখনো শংকা আছে, শারীরিক নিরাপত্তা দাবি করেছেন তিনি।







