সারাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সারারাত রাজধানীতেও থেমে থেমে বৃষ্টি দেখা গিয়েছে। রোববার (১৮ আগস্ট) এবং সোমবার (১৯ আগস্ট) বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে আজ খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, সারাদেশে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রোববার ও সোমবার দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এতে মুহুরী, ফেনী, হালদা, সাঙ্গু, কর্ণফুলী, মাতামুহুরীসহ প্রধান প্রধান নদীর পানি বাড়তে পারে।
রাজধানী ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ কম ছিল। ফলে এই অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি ছিল। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে ২৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শনিবার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপার রেকর্ড করা হয়েছে সন্দ্বীপে ১৯৬ মিলিমিটার। বান্দরবানে ১৪৩ মিলিমিটার, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১৩৪ মিলিমিটার, কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ১২৫ মিলিমিটার, ফেনীতে ১১৩ মিলিমিটার, লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ১০৫ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ৯৯ মিলিমিটার, আমবাগানে ৯৯ মিলিমিটার, নোয়াখালীর মাইজদী কোর্টে ৯৮ মিলিমিটার, চট্টগ্রামের হাতিয়ায় ৭৮ মিলিমিটার, টেকনাফে ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনার কয়রা, চাঁদপুর, কুমিল্লা, সিলেট, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, সিরাজগঞ্জের তাড়াশসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকার আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও গতকাল এখানে হালকা বৃষ্টি হয়েছে, যার পরিমাণ এক মিলিমিটার।








