গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী এখনও গাজায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও “ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনও গাজায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে”। এরমধ্যে রয়েছে গাজায় নতুন করে আক্রমন চালানো এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সাহায্য সীমিত করা।
এতে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতির পরও সাত সপ্তাহে ৫০০ বারেরও বেশি ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। যার ফলস্বরূপ প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মানবাধিকার সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে থাকা হলুদ রেখার বাইরের এলাকাগুলো এই হামলা চালানো হয়।
অ্যামনেস্টির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, এখন পর্যন্ত, এমন কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি যে, ইসরায়েল গণহত্যা বন্ধে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। ইসরায়েল তার নীতি পরিবর্তন করেছে এর কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, ইসরায়েল তাদের নির্মম নীতি অব্যাহত রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সাহায্য এবং প্রয়োজনীয় সেবার প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ করছে। ইচ্ছাকৃতভাবে গাজায় ফিলিস্তিনিদের শারীরিকভাবে ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিত শর্ত আরোপ করছে।।
তিনি আরও বলেন, “বিশ্বকে বোকা বানানো উচিত নয়। ইসরায়েলের গণহত্যা এখনও শেষ হয়নি”।
গাজার প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, এটি শত শত আক্রমণের সাথে যুক্ত যা সাত সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির নির্লজ্জ লঙ্ঘন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দখলকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে অভিযান এবং গ্রেপ্তারের আরেকটি ধারা চালিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কালকিলিয়া, তুবাস, হেবরন, তুলকারেম এবং নাবলুস এলাকা।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তার মতে, তুবাসে ইসরায়েলি বাহিনী মাঠ পর্যায়ে নাগরিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং কমপক্ষে ২৫ জনকে লাঞ্ছিত করেছে। তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল।









