গাজায় আকাশ, সমুদ্র এবং স্থল পথে সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলকে সহায়তা করতে পথে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় যুদ্ধজাহাজ। জাতিসংঘ বলছে, ইসরায়েলের এমন সিদ্ধান্তে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে গাজা।
ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ জানায়, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। হামাসের হামলায় মারা গেছে এক হাজার ৩০০ ইসরায়েলি। গাজায় নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ নিয়ে বুধবার ওআইসির জরুরি বৈঠক ডেকেছে সৌদী আরব।
গাজার সব স্থানেই যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন। ইসরায়েলের নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের মুখে প্রাণ হাতে নিয়ে পালাচ্ছে গাজার মানুষ। ইসরায়েলের অভিযানে নড়েচড়ে বসছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। স্থল অভিযান হলে তেহরান পদক্ষেপ নেবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে রাশিয়া। এছাড়াও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গাজায় ইসরায়েলের অভিযানের সমালোচনা করেছেন।
গাজায় বেসামরিক মানুষ হত্যা এবং ধ্বংসযজ্ঞের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ওআইসির জরুরি বৈঠক ডেকেছে সৌদী আরব। জেদ্দায় বৈঠকে যোগ দিতে সদস্যভুক্ত ৫৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েল সিরিয়ার আলেপ্পো বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে। মিশর-গাজা সীমান্তের রাফাহ চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গাজায় বসবাসরত বিদেশী নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না ইসরায়েল। ইন্টারনেটের গতি ধীর করে দেওয়ায় সাংবাদিকদের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় ফিলিস্তিনিপন্থীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। গাজার সমর্থনে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে মিছিল করেছে হাজারো মানুষ।








