ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের কারণে স্থগিত হয়ে যায় আইপিএল ও পিএসএল। আপাতত দুই দেশই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দ্রুত আইপিএল মাঠে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।
কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তানের ছয়টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। এরপর পাকিস্তানও ভারতে হামলা করে বসে। পাল্টাপাল্টি হামলার চার দিনের মাথায় যুদ্ধবিরতিতে যায় দেশ দুটি।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার পর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তাদের বিদেশি খেলোয়াড় ও কোচদের ফেরানোর চেষ্টা করছে। ভারত সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে মাঠে গড়াতে পারে আইপিএল।
সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা বেড়ে গেলে গত ৮মে ধর্মশালায় ম্যাচের মাঝপথে বাতিল হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের লড়াই। পরে এক সপ্তাহের জন্য টুর্নামেন্ট স্থগিত করে ভারতীয় বোর্ড।
এই মুহূর্তে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিদেশি সদস্যদের ফেরত আনা। এদের একটি বড় অংশ ভারত ছেড়েছেন শনিবার। কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি খেলোয়াড় ও কোচদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত ফেরত আসার জন্য বলেছে। ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের যাদের যাত্রাপথে ট্রানজিট ছিল, তাদের আপাতত পরবর্তী যাত্রা বাতিল করে অপেক্ষায় থাকতে বলা হয়েছে। রোববার ভারত ছাড়ার কথা এমন কোচদের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যাত্রা বাতিল করতে বলেছে।
চলতি আসরে এখন পর্যন্ত ৫৭টি ম্যাচ গড়িয়েছে। ৫৮তম ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল পাঞ্জাব ও দিল্লির মধ্যে, ৮ মে। প্রথম ইনিংসে ১০.১ ওভার খেলা হওয়ার পর নিরাপত্তা শঙ্কায় ম্যাচটি বাতিল করা হয়। সেই ম্যাচ আবার হবে কী না, এখনও জানায়নি আইপিএল কর্তৃপক্ষ।
এখনও ১২টি লিগ ম্যাচ ও চারটি প্লে অফ বাকি আছে। ম্যাচগুলো দক্ষিণাঞ্চলীয় তিন শহর বেঙ্গালুরু, চেন্নাই ও হায়দরাবাদে হতে পারে। সাতটি দল এখনও প্লে অফের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে। লড়াই থেকে ছিটকে গেছে চেন্নাই সুপার কিংস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস।









