আইপিএলের চলতি আসরে ইতিমধ্যে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত হয়েছে গুজরাট টাইটান্সের। লড়াইটা এখন কেবল শীর্ষস্থানে টিকে থাকার। তবে নিজেদের ১৩তম ম্যাচে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়াান্টসের কাছে ৩৩ রানে হার দেখেছে গুজরাট। তাতে অবশ্য খুব একটা ক্ষতি হয়নি দলটির। এখনও শীর্ষ স্থানেই বহাল আছে শুভমন গিলের দল।
আইপিএলের চলতি আসরে ইতোমধ্যে প্লে-অফের চারটি দল চূড়ান্ত হয়েছে। গুজরাট টাইটান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স লড়বে শেষ চারের লড়াইয়ে। সেরা চারে অবশ্য কারো স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে গুজরাট। এক ম্যাচ কম খেলে সমান ১৭ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে দুইয়ে ও তিনে বেঙ্গালুরু ও পাঞ্জাব। ১৩ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে মুম্বাই।
টেবিলের শীর্ষ দুদল খেলবে প্রথম কোয়ালিফায়ার। বাকি দুদল খেলবে এলিমিনেটর ম্যাচ। কোয়ালিফায়ারে জয়ী দল সরাসরি যাবে ফাইনালে। আর হারা দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে এলিমিনেটরে জয়ী দলের বিপক্ষে।
আহমেদাবাদে টসে হেরে আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ২ উইকেটে ২৩৫ রান করে লক্ষ্ণৌ। জবাবে ৯ উইকেটে ২০২ রানে থামে গুজরাটের ইনিংস।
লক্ষ্ণৌ ওপেনার মিচেল মার্শ সেঞ্চুরি করেন। ১০টি চার ও ৮টি ছক্কায় ৬৪ বলে ১১৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কায় ২৭ বলে ৫৬ রান করেন নিকোলাস পুরানা। ২৪ বলে ৩৬ রান করেন এইডেন মার্করাম। এছাড়া রিশভ পান্ট করেন ৬ বলে ১৬ রান।
গুজরাটের হয়ে একটি করে উইকেট নেন আরশাদ খান ও সাই কিশোর।
রানতাড়ায় নেমে গুজরাটের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন শাহরুখ খান। ২৯ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৫টি চার ও তিনটি ছক্কার মার। এছাড়া শেরফান রাদারফোর্ড ৩৮, শুভমন গিল ৩৫, জস বাটলার ৩৩ এবং সাই সুদর্শন ২১ রান করেন।
লক্ষ্ণৌ বোলারদের মধ্যে উইলিয়াম ও’রোর্ক ৩ উইকেট নেন। আভেশ খান ও আয়ুষ বাদোনি নেন দুটি করে উইকেট।









