বিশাখাপত্তমে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স ব্যাটাররা। সুনিল নারিনের পর আন্দ্রে রাসেল ও রিংকু সিংয়ের ঝড়ো ইনিংসে আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭২ রান তোলে কেকেআর। চলতি আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২৭৭ রান করেছিল। পাহাড়সম লক্ষ্যতাড়ায় নেমে বরুন চক্রবতীদের তোপে বিধ্বস্ত হয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। স্বাগতিকদের ১০৬ রানে হারিয়ে আসরে টানা তৃতীয় জয় পেল শ্রেয়াস আয়ারের দল। অন্যদিকে একম্যাচ জিতলেও তৃতীয় হার দেখল রিশভ পান্টের দল।
রাজাশেখর রেড্ডি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কলকাতা অধিনায়ক শ্রেয়াস আয়ার। দিল্লি বোলারদের তুলোধুনো করে ৭ উইকেটে ২৭২ রান তোলে অতিথি দল। জবাবে নেমে ১৭.২ ওভারে ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় দিল্লি।
কলকাতাকে ঝড়ো শুরু এনে দেন সুনিল নারিন। ৭টি করে চার ও ছক্কায় ৩৯ বলে ৮৪ রান করেন ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার। তিনে নামা অংঘুক্রিস রঘুবংশী ফিফটির ইনিংস খেলেন। পাঁচটি চার ও তিন ছক্কায় ২৭ বলে ৫৪ রান করেন। চারটি চার ও তিন ছক্কায় ১৯ বলে ৪১ রান করেন আন্দ্রে রাসেল। শেষের দিকে রিংকু সিং একটি চার ও তিন ছক্কায় ৮ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ক্যামিও উপহার দেন।
দিল্লির হয়ে এনরিখ নতরজি তিনটি এবং ইশান্ত শর্মা দুটি উইকেট নেন।
রানতাড়ায় নেমে শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় স্বাগতিক দল। ৩৩ রানে ফিরে যান টপঅর্ডারের চার ব্যাটার। রিশভ পান্ট ও ত্রিস্টান স্টাভসের জোড়া ফিফটিতে হারের ব্যবধান কমায় দিল্লি। চারটি চার ও পাঁচ ছক্কায় ২৫ বলে ৫৫ রান করেন পান্ট। স্টাভস চারটি করে চার ও ছক্কায় ৩২ বলে ৫৪ রান করেন। বাকীদের সবাই উল্লেখযোগ্য রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
কলকাতার হয়ে বরুণ চক্রবতী ও বৈভব আরোরা তিনটি করে উইকেট নেন। মিচেল স্টার্ক নেন দুই উইকেট।







