ওপেনিংয়ে নেমে দেখেছেন দলের ব্যাটিং বিপর্যয়। সবাই দিতে পারেননি যোগ্য সঙ্গ। তবুও একাই চালিয়ে গেলেন লড়াই। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে তুললেন সেঞ্চুরি। দিনশেষে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে পাঞ্জাব কিংসের ৩১ রানে জয়ের নায়ক তাই প্রভসিমরান সিং।
শনিবার অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা পাঞ্জাব ৭ উইকেটে ১৬৭ রান করে। প্রভসিমরান ৬৫ বলে ১০ চার ও ৬ ছক্কায় একাই করেন ১০৩ রান। জবাবে দিল্লি ৮ উইকেটে ১৩৬ রানের বেশি করতে পারেনি।
আইপিএলের চলতি আসরের পয়েন্ট টেবিলের ছয় নম্বরে থাকলেও পাঞ্জাবে প্লে অফে খেলার আশা এখনো টিকে আছে। ১২ ম্যাচে দলটির পয়েন্ট ১২। সমান খেলায় রাজস্থান রয়্যালসের পয়েন্ট ১২ হলেও তারা রানরেটে এগিয়ে থাকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে। শীর্ষে থাকা গুজরাট টাইটান্সের পয়েন্ট ১৬, দুইয়ে থাকা চেন্নাইয়ের ১৫। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে এবং লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।
পাঞ্জাব ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। স্যাম কারেনকে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে প্রভসিমরান ৭২ রানের জুটি গড়ে বিপদ সামাল দেন। ২৪ বলে এক চারে ২০ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলা স্যাম সাজঘরে ফিরলে জুটি ভাঙে।
বাকি ব্যাটাররা তেমন সুবিধা করতে না পারলেও অধিকাংশ সময় স্ট্রাইকিং পজিশনে থাকা প্রভসিমরান বাইশ গজে আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে শতকের দেখা পান। ১৯তম ওভারে মুকেশ কুমারের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ২২ বর্ষী ব্যাটার।
শেষদিকে সিকান্দার রাজার ৭ বলে এক ছক্কায় ১১ রানের অপরাজিত ইনিংসের ফলে পাঞ্জাব চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায়। দিল্লির পক্ষে ইশান্ত শর্মা ২৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।
ওপেনিংয়ে দিল্লিকে দুরন্ত সূচনা এনে দেন ডেভিড ওয়ার্নার। অজি ক্রিকেটার ফিল সল্টকে নিয়ে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। সল্ট ১৭ বলে ৩ চারে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরলে ভাঙে জুটি।
বিনা উইকেটে ৬৯ থেকে চোখের পলকে দিল্লির স্কোর হয়ে যায় ৫ উইকেটে ৮৮ রান। চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ওয়ার্নার ২৭ বলে ১০ চার ও এক ছক্কায় ৫৪ রান করেন। বাকি ব্যাটাররা নিতে পারেননি দায়িত্ব। তাই পরাজয়টাই হয় দিল্লির পরিণতি।
হারপ্রীত ব্রার পাঞ্জাবের হয়ে ৩০ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। দুটি করে উইকেট শিকার করেন নাথান অ্যালিস ও রাহুল চাহার।







