মোহালিতে পাঞ্জাবের বিপক্ষে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছিলেন বিরাট কোহলি ও পেপ ডু প্লেসিস। তাদের ব্যাটে নির্ভর করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোর ১৭৪ রান টপকাতে পাঞ্জাবে সামনে বল হাতে প্রতিরোধ গড়েছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। ভারতীয় ফাস্ট বোলারের আইপিএল সেরা বোলিংয়ে ২৪ রানে জয় পেয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সরা। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে সিরাজ নিয়েছেন ৪ উইকেট। এর আগে তার সেরা বেলিং ফিগার ছিল ৩২ রানে ৪ উইকেট।
টসে হেরে আগে ব্যাটে নেমে দুই ওপেনার কোহলি ও ডু প্লেসিসের অর্ধশতকের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে বেঙ্গালোর। জবাবে ব্যাটে নেমে ১৫০ রানেই থামে পাঞ্জাবের ইনিংস। এ নিয়ে ৬ ম্যাচে ৩ জয়ে টেবিলের পাঁচে আসলো কোহলির দল। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে পিছিয়ে থেকে ছয়ে পাঞ্জাব।
ব্যাটে নেমে দুর্দান্ত শুরু পায় বেঙ্গালোর। প্রথম উইকেট জুটিতে ১৩৭ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিক দল। ১৬.১ ওভারে ৪৭ বলে ৫৯ রান করে ফেরেন বিরাট কোহলি। পরের বলেই রানের খাতা না খুলে আউট হন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এক ওভার পরেই ১৫১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিক দল। ফেরেন ৫৬ বলে ৮৬ রান করা ডু প্লেসিস। ১৮.৬ ওভারে ১৮৩ রানে আউট হন দিনেশ কার্তিক। ৫ বলে সাত রান করেন। শেষ অবধি ৪ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে চ্যালেঞ্জার্সরা।
পাঞ্জাবের হয়ে হারপ্রীত নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন নাথান ও আর্শদ্বীপ সিং।
জবাবে ব্যাটে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাঞ্জাবের। মাত্র ২৭ রানেই হারায় তিন উইকেট। এরপর ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে পাঞ্জাব। প্রভসিমরন সিং ও জিতেশ শর্মা ছাড়া কোনো ব্যাটারই করতে পারেননি নামের প্রতি সুবিচার। ৩০ বলে ৪৬ রান করেছেন প্রভসিমরন। আর জিতেশ করেছেন ২৭ বলে ৪১ রান। শেষ অবধি সিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৮ বল হাতে থাকতে ১৫০ রানে থামে পাঞ্জাবের ইনিংস।
বেঙ্গালোরের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন সিরাজ। হাসারাঙ্গা নেন ২টি। হার্শাল পাটেল ও পার্নেল নেন ১টি করে উইকেট।







