সময়টা ভালো কাটছে না দিল্লির। টানা তিন হারের পর চতুর্থ ম্যাচে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে একাদশে রাখলেও বেরোতে পারেনি হারের বৃত্ত থেকে। বল হাতে মোস্তাফিজ আলো ছড়াতে না পারার দিনে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটে হেরেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।
ঘরের মাঠে টস হেরে আগে ব্যাট করে দিল্লি। ১৯.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানে থামে। জবাবে নেমে কিছুটা বেগ পেতে হলেও ইনিংসের শেষ বলে আসরে নিজেদের প্রথম জয় নিশ্চিত করে মুম্বাই। এ নিয়ে টানা চার হারে টেবিলের তলানিতে দিল্লি। তিন ম্যাচে এক জয়ে টেবিলের আটে থাকল মুম্বাই।
চার্টার্ড প্লেনে করে ঢাকা থেকে দিল্লিতে গেলেও আগের তিন ম্যাচে একাদশে জায়গা পাননি মোস্তাফিজ। চতুর্থ ম্যাচে আসরে প্রথমবারের মতো খেলতে নামেন টাইগার পেসার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আসেন আক্রমণে। ওভারটিতে ঈশান কিষাণের ৩ চারের মারে ১৩ রান খরচ করেন।
এরপর ১৫তম ওভারে আবারও আক্রমণে আসেন মোস্তাফিজ। ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভারে নিজের জাত জানান দেন বাঁহাতি পেসার। তিলক বার্মা ও রোহিত শর্মার বিপক্ষে ওই ওভারে খরচ করেন মাত্র ২ রান। এরপর টানা বল করে নিজের স্পেল শেষ করেন। ১৭তম ওভারে প্রথম বলে চারের মার হজম করতে হলেও ৫ম বলে ফেরান মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। শেষ বলে আবার চার রান দিয়ে ওভারটিতে মোট ৮ রান খরচ করেন।
১৯তম ওভারে নিজ দায়িত্ব শেষ করতে আসেন মোস্তাফিজ। জয়ের জন্য মুম্বাইয়ের প্রয়োজন ছিল ২ ওভারে ২০ রান। এ ওভারে মুম্বাই ব্যাটারদের কাছে পরাস্ত হন। দুই ছক্কাসহ মোট ১৫ রান দিয়ে মুম্বাইকে নিয়ে যান জয়ের দ্বারপ্রান্তে। শেষ অবধি ইনিংসের শেষ বলে জয় নিশ্চিত করে মুম্বাই।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ব্যাটারদের মধ্যে ৪৫ বলে ৬৫ রান করেন রোহিত শর্মা, ২৬ বলে ৩১ রান করেন ঈশান কিষাণ। ২৮ বলে ৪১ করেছেন তিলক বার্মা। এছাড়া ১১ বলে ১৭ করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড, ৮ বলে ১৭ রানে ক্যামেরুন গ্রিন।
দিল্লির হয়ে দুটি উইকেট নেন মুকেশ কুমার, মোস্তাফিজ নেন একটি।
এর আগে টস হেরে ব্যাটে নেমে শুরুটা উড়ন্ত হলেও দীর্ঘায়িত হয়নি দিল্লির। ৩৩ রানে ফেরেন পৃথ্বী শ। ১০ বলে ১৫ রান করেন। ৭৬ থেকে ৯৮ রানে আরও ৪ উইকেট হারায় স্বাগতিক দল। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৬৭ রান পায় ডেভিড ওয়ার্নারের দল। ১৯তম ওভারে ৪ উইকেট হারায় দিল্লি। জেসন বেহরেনডর্ফ ফেরান তিন ব্যাটারকে। রানআউট হন একজন। এরপর ১৯.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস।
দিল্লির অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার করেছেন ৪৭ বলে ৫১ রান, ২৫ বলে ৫৪ করেন অক্ষর প্যাটেল। এছাড়া মনীষ পান্ডে করেন ১৮ বলে ২৬ রান, পৃথ্বী শ করেন ১০ বলে ১৫ রান। বাকীদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
মুম্বাইর হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন জেসন বেহরেনডর্ফ ও পিয়ুষ চাওলা। দুই উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ।







