জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কয়েকজন কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিরুদ্ধে কর ও শুল্ক আদায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ এবং সরকারকে বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুদকের তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, কিছু অসাধু কর্মকর্তা করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে নিজেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। নির্ধারিত কর আদায় না করে ঘুষের বিনিময়ে করের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এতে রাষ্ট্র প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে, ঘুষ না পেয়ে মিথ্যা কর ফাঁকির মামলা দিয়ে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে।
দুদক বলছে, করদাতারা যারা আগাম বা অতিরিক্ত কর দেন, নিয়ম অনুযায়ী সেই বাড়তি অর্থ ফেরত পাওয়ার কথা থাকলেও অভিযোগ উঠেছে- টাকা ফেরতের জন্যও ঘুষ দিতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তাদের ঘুষ বা উপহারের দাবি মেটাতে গিয়ে করদাতাকে ফেরতের অর্থের অর্ধেক পর্যন্ত হারাতে হচ্ছে।
এনবিআরের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে উল্লেখ করে এক বিজ্ঞপ্তিতে দুদক জানায়, বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিকালীন বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক, ভ্যাট ও ক্ষেত্র বিশেষে আয়কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়ে ও নিজে লাভবান হয়ে রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এমন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।









