অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে এশিয়া কাপে উদ্বোধনী ম্যাচে শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে রেকর্ড গড়েছেন ১৪ বর্ষী বৈভব সূর্যবংশী। রানপাহাড়ের রেকর্ডের সাথে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২৩৪ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে ভারত। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে বাঁহাতি ওপেনার সূর্যবংশীর পকেটে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইসিসি একাডেমিতে টসে জেতে স্বাগতিকরা। ভারত ব্যাটে নেনে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৩৩ রান তোলে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েন সূর্যবংশী। জবাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান করে আমিরাত। ভারত জয় তোলে ২৩৪ রানের বিশাল ব্যবধানে।
জয়ে বড় অবদান রেখেছেন ১৪ বর্ষী বৈভব সূর্যবংশী, করেছেন ৯৫ বলে ১৭১ রান। বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল ১৪ ছক্কা, যুব ওয়ানডেতে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয়ের রেকর্ড যেটি। ৫৬ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় সেঞ্চুরি করেন তিনি। ইনিংস থামে ১৪ ছক্কা ও ৯ চারে ৯৫ বলে ১৭১ রানে। আগের রেকর্ডটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল হিলের। ২০০৮ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিপক্ষে ১২৪ রানের ইনিংসে ১২ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।
ভারতের যুব দলের হয়ে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডটি আগেও ছিল সূর্যবংশীর। গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ৭৮ বলে ১৪৩ রানের ইনিংসে ১০ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ইনিংসে তিনি ৫২ বলে যুব ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছিলেন। ভেঙেছিলেন ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ৫৩ বলে সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানের কামরান গুলামের রেকর্ড।
আরব আমিরাতে শুক্রবার সূর্যবংশীর করা সেঞ্চুরিটি দ্রুততমের তালিকায় এখন তৃতীয় স্থানে। চতুর্থ স্থানে আছেন বাংলাদেশের তামিম ইকবাল, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা ৬৮ বলের সেঞ্চুরি, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত টানা ৭ বছর দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় যেটি ছিল শীর্ষে।
ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৯ করে আনেন অ্যারন জর্জ এবং বিহান মালহোত্রা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুগ শর্মা ও উদ্দিস সুরি ২টি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন শ্যালম ডি সুজা এবং কিরন রায়।
জবাবে আরব আমিরাত খুব বেশি রান করতে পারেনি। দ্রুত দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ফিফটি করেন পৃথ্বী মথু। ১৯ রান আসে মুহাম্মদ রায়ানের থেকে। আটে নেমে উদ্দিস সুরি ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
ভারতের সব বোলারকে পরীক্ষা করিয়েছেন আয়ুস মাত্র। নয় বোলারের মধ্যে পাঁচজন উইকেট তুলেছেন। যার মধ্যে দীপেশ দেবেন্দ্র নিয়েছেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কিষাণ সিং, হিনিল পাতিল, খিলান পাতিল ও বিহান মালহোত্রা।









