চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে ভারত। বিরাট কোহলির ৫১তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেল রোহিত শর্মার দল। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের কাছে প্রথম ম্যাচ হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরেছে আয়োজক পাকিস্তান। কাগজে-কলমে পাকিস্তান এখনও টিকে থাকলেও মূলত সেমির স্বপ্ন প্রায় শেষ পাকিস্তানের।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। টসে জিতে আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ৪৯.৪ ওভারে ২৪১ রানে গুটিয়ে যায় মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল। জবাবে নেমে ৪২.৩ ওভারে জয়ের বন্দরে নোঙর করে ভারত।
রানতাড়ায় ভারতের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। রোহিত শর্মা দলীয় ৩১ রানে ফিরে যান। ১৫ বলে ২০ রান করেন ভারত অধিনায়ক। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শুভমন গিলকে নিয়ে ৬৯ রান যোগ করেন কোহলি। দলীয় ১০০ রানে গিল ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। সাতটি চারে ৫২ বলে ৪৬ রান করেন গিল।
তৃতীয় উইকেট শ্রেয়াস আয়ারকে নিয়ে ১১৪ রানের জুটি গড়েন কোহলি। শ্রেয়াস ৬৭ বলে ৫৬ রানে ফিরে যান। ২২৩ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। হার্দিক পান্ডিয়া ফিরে যান ৬ বলে ৮ রান করে। পরে অক্ষর প্যাটেলকে নিয়ে এগিয়ে যান কোহলি। ৪৩তম ওভারের তৃতীয় বলে চার মেরে নিজের সেঞ্চুরির পাশাপাশি দলের জয় নিশ্চিত করেন কোহলি। ৭টি চারে ১১১ বলে ১০০ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস খেলেছেন কোহলি।
পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে শাহিন শাহ আফ্রিদি দুটি উইকেট নেন। আবরার আহমেদ ও খুশদিল শাহ নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে ধীরগতিতে রান তুলেছেন পাকিস্তান ব্যাটাররা। ১৫২ বল ডট খেলেছেন। ছিল না খুব বেশি বাউন্ডারিও। পুরো ইনিংসে ছক্কা এসেছে তিনটি এবং চার এসেছে কেবল ১৪টি। ছক্কা তিনটিই এসেছে শেষ দিকে।
ব্যাটারদের মধ্যে সৌদ শাকিল ৭৬ বলে ৬২ রান করেছেন, চার মেরেছেন পাঁচটি। ৩ চারে ৭৭ বলে ৪৬ রান করেন রিজওয়ান। বাবর আজম ৫ চারে ২৬ বলে ২৩ রান করেন। বাকিদের চার আসে কেবল নাসিম শাহের ব্যাট থেকে। ১৬ বলে ১৪ রান করেন তিনি।
তিন ছক্কার দুটি এসেছে খুশদিল শাহ’র ব্যাট থেকে। ৩৯ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। তৃতীয় ছক্কাটি মেরেছেন হারিস রউফ। ৭ বলে ৮ রান করেন তিনি। এছাড়া সালমান আঘা ২৪ বলে ১৯ রান করেন। ইমাম-উল-হক ২৬ বলে ১০ রান করেন।
ভারত বোলারদের মধ্যে কূলদীপ যাদব তিন উইকেট নেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন দুটি উইকেট।









