চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারে বিবৃতিতে বলা হয়েছে: রপ্তানিকারক বাসমতি ব্যতীত অন্য সব ধরনের চাল রপ্তানি করতে পারবেন।
রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি চালে শুল্কও কমানো হয়েছে। আগে যেখানে শুল্ক ছিল ২০ শতাংশ সেটা কমিয়ে ১০ শতাংশে আনা হয়েছে।
দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের এমন সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত দেশটির রপ্তানিকারকরা। দেশটির অন্যতম চাল রপ্তানিকারক রাইস ভিলার শীর্ষ নির্বাহী সুরজ আগারওয়াল বলছেন: সরকারের এই সিদ্ধান্ত ভারতের অভ্যন্তরীণ কৃষিক্ষেত্র এবং আন্তর্জাতিক চালের বাজারে গেম চেঞ্জারের ভূমিকা রাখবে। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম কমে আসবে, অন্যদিকে কৃষকরাও লাভবান হবেন।
অনাবৃষ্টির কারণে গতবছর ধান উৎপাদন কম ছিলো ভারতে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৩ সালের ২০ জুলাই বিশ্ববাজারে চাল রপ্তানিতে নিষেধজ্ঞা দেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ১৪ মাস পর এ সিদ্ধান্ত তুলে নেওয়া হলো।
বিশ্বের ৩০০ কোটি মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাল উৎপাদনে এই মূহূর্তে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে ৬টি দেশ- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম।
তবে চাল রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে ভারত। প্রতিদিন বিশ্ববাজারে যে পরিমাণ চাল কেনাবেচা হয়, তার ৪০ শতাংশই আসে ভারত থেকে।
ভারত চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছিল চালের দাম। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শতকরা হিসেবে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছিল ১১ দশমিক ৭ শতাংশ, যা গত ১১ বছরে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড।









