বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তিনবার ডোপিং অপরাধীর সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে ভারত। সেজন্য ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (নাডা) কড়া নজরদারির জন্য দেশটির রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুল (আরটিপি) তালিকা গঠন করেছে। মোট ৩৪৭ জন ক্রীড়াবিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। রয়েছে ওয়ানডে এবং টেস্ট অধিনায়ক শুভমন গিল, জাসপ্রিত বুমরাহ, স্মৃতি মান্দানাসহ ১৪ জন ক্রিকেটার এবং অ্যাথলেটিকস, ভারোত্তোলন, কুস্তি খেলোয়াড়ের নাম, যাদের কেউ কেউ ভারতের হয়ে অলিম্পিকে পদকও জিতেছেন।
গিল, বুমরাহ এবং স্মৃতির পাশাপাশি তালিকায় নাম আছে যশ্বী জয়সওয়াল, রিশভ পান্ট, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আয়ার এবং মেয়েদের বিশ্বকাপ জয়ী জেমিমাহ রদ্রিগেজ, দীপ্তি শর্মা, শেফালি ভার্মা ও রেণুকা ঠাকুরের। নাম আছে আগামী মাসে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা তিলক ভার্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, আর্শদীপ সিংয়ের।
১২০ জন ক্রীড়াবিদকে নতুন করে তালিকায় যোগ করা হয়েছে। বেশি সংযোজন হয়েছে অ্যাথলেটিকস বিভাগে, ১১৮ জন। চলতি বছর কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমস সামনে রেখে প্রস্তুতি এবং ভারতে আরও কঠোর অ্যান্টি-ডোপিং ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগের ফলে সংখ্যায় হঠাৎ বৃদ্ধি ঘটেছে।
অ্যাথলেটিকস, ভারোত্তোলন ও কুস্তি, এ তিনটি খেলার ১৪৮ জনের নাম রয়েছে। ভারতের মোট ডোপিং অপরাধীর ৫৭ শতাংশই এসেছে এ খেলোয়াড়দের থেকে। যার মধ্যে দেশের ১১টি অলিম্পিক পদক এসেছে তাদের হাত ধরে। বক্সিং ও কাবাডির খেলোয়াড়রাও নথিভুক্ত হয়েছেন।
তালিকাভুক্ত নিবন্ধিত ক্রীড়াবিদদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষার জন্য থাকতে হয়। ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সিকে বিস্তারিত প্রতিবেদন তথ্য দিতে হয়। সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হলে তিনবারের মধ্যে তা ডোপিং লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হয়। আগে যেখানে অ্যাথলেটিকস থেকে ৬৮ জন ক্রীড়াবিদ ছিলেন, সেখানে এবার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
হকি থেকে তালিকায় নাম আছে সিনিয়র ভারতীয় খেলোয়াড় মনপ্রীত সিং, অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং, অমিত রোহিদাস ও হার্দিক সিংয়ের। নারী দলের অধিনায়ক সলিমা টেটে, গোলকিপার সবিতা পুনিয়া ও নভনীত কৌরও আছেন তালিকায়। রয়েছেন প্যারিস অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী আমন সেহরাওয়াত।









