ভারতের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি নিশ্চিত করেছেন যে, ভারত সম্প্রতি আইএনএস আরিঘাট থেকে সফলভাবে ৩,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র কে-৪ এর পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এটিকে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত করা হচ্ছে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, নৌবাহিনী দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানান, ২৭ নভেম্বর বিশাখাপত্তনম উপকূলে এই পরীক্ষাটি সম্পন্ন করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।
অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠি আরও জানান, নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির অংশ হিসেবে বর্তমানে ৬২টি জাহাজ এবং একটি সাবমেরিন নির্মাণাধীন রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যেই আরও বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির জন্য সরকারের অনুমোদন ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের দক্ষতার ওপর আস্থা বাড়িয়েছে। এছাড়া রাফালে-এম যুদ্ধবিমান এবং স্করপেন সাবমেরিনের ক্রয় চুক্তি আগামী মাসে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত তার কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও মজবুত করল এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিরক্ষা খাতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল।
অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠি জানান, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চীনা নৌবাহিনীর ক্রিয়াকলাপ এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রমের ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। তা তাদের যুদ্ধজাহাজ হোক বা তাদের গবেষণা জাহাজ, আমরা জানি কে কী করছে, কোথায় এবং কীভাবে করছে।
এই পরীক্ষা ছিল সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের প্রথম সফল পরীক্ষা। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রের নিচ থেকে পরমাণু অস্ত্র নিক্ষেপের সক্ষমতা অর্জন করল। বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশেরই এই সক্ষমতা আছে।









