পাকিস্তানের মাটিতে পর্দা উঠেছে ‘হাইব্রিড’ মডেলের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসরের। আট দলের অংশগ্রহণে হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্ট। রাজনৈতিক কারণে সাত দল পাকিস্তানে খেললেও ভারতের ম্যাচগুলো হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যে কারণে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি হচ্ছে দুবাইয়ে। ম্যাচের আগে দেখে নেয়া যাক দুদলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান কী বলছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ভারত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় শুরু হবে মাঠের লড়াই।
২০১৯ বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ-ভারত ওয়ানডে ম্যাচে জয়-পরাজয়ের হিসেবে এগিয়ে টিম টাইগার্স। যদিও এসময়ে ভেতর দল দুটি কেবল পাঁচ ম্যাচ খেলেছে। যার ৩টিতে টাইগাররা জয় পায়। ভারত দুটিতে, এরমধ্যে একটি লাল-সবুজদের ঘরের মাঠে এবং অন্যটি ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে। এটিই দুদলের সর্বশেষ ম্যাচ।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে অবশ্য জয়ের পাল্লাটা ভারতের দিকে ভারি। ৪১ ওয়ানডেতে ভারতের ৩২ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশ জিতেছে ৮টিতে, ফলাফল হয়নি এক ম্যাচে। শান্ত-মিরাজদের ৮ জয়ের ৬টি ঘরের মাটিতে এবং অন্যদুটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। ভারতের মাটিতে এখনো একদিনের ক্রিকেটে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা কোনো জয় পায়নি।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আগে ভারতের সাথে দুবারের দেখায় দুবারই হেরেছে বাংলাদেশ। সবশেষ আসরে ভারতের কাছে হেরেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমি থেকে বিদায় নিয়েছিল টিম টাইগার্স।
বড় মঞ্চে ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও ভারতের সাক্ষাত হয়েছে পাঁচবার। এখানেও লড়াইয়ের ফল ভারতের পক্ষে। দুদলের পাঁচ দেখায় ওয়েস্ট ইন্ডিজে হওয়া ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে শুধু জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০১১, ২০১৫, ২০১৯ ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে চার দেখার কোনটিতে টাইগাররা জয় পায়নি।
২০০৭ বিশ্বকাপে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, আব্দুর রাজ্জাক ও মোহাম্মদ রফিকের বোলিং তোপে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় রাহুল দ্রাবিড়ের দল। সেই ম্যাচে তামিম-মুশফিক-সাকিবের তিন ফিফটিতে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। এবার ‘মিনি বিশ্বকাপ’খ্যাত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীরের দলের বিপক্ষে মুশফিক খেললেও স্কোয়াডে নেই সাকিব-তামিম।
২০২২ সালের চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২২৭ রানের বড় ব্যবধানের জয় রয়েছে ভারতের। বিপরীতে ভারতের সঙ্গে ২০১৫ সালে মিরপুরে সর্বোচ্চ ৭৯ রানের জয় আছে লাল-সবুজদের।









