চট্টগ্রাম থেকে: টানা দুই জয়ে আসর শুরু, এরপরই যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলল খুলনা টাইগার্স। সিলেট ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে টানা চার ম্যাচে হার দেখেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ফলে প্লে-অফে খেলার সমীকরণটাও কঠিন দাড়িয়েছে দলটির। তবে এখনই হাল ছাড়ছেন না ইমরুল কায়েস। খুলনার অভিজ্ঞ এই ব্যটার জানিয়েছেন, মোমেন্টাম ফিরে পাওয়ার আশায় আছেন তারা।
রোববার চট্টগ্রামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে এর দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে মাঠে নামবে খুলনা টাইগার্স। এর আগের দিন সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন ইমরুল। সেখান এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
‘আমরা যেভাবে শুরু করেছিল, এরপর ৪টা ম্যাচ ভালো খেলতে পারিনি। ২টা ম্যাচ খেলার পর এক সপ্তাহ ব্রেক, বলতে পারেন ওখানে মোমেন্টামটা হারিয়েছি। আশা করি একটা ম্যাচ জিতলে মোমেন্টামটা ব্যাক করবে। আমাদের দল কিন্তু ভালো, দেশি-বিদেশী মিলিয়ে ব্যালেন্সড টিম।’
টানা ৪ ম্যাচের হারণ ব্যাখায় বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমাদের সবই ভালো হচ্ছে। শুরু আর ডেথ বোলিং দুর্দান্ত হচ্ছে। কিন্তু মাঝের দু-একটা ওভারেই সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। এখানে আমাদের ওভারকাম করতে হবে। এখনও অনেক ম্যাচ বাকি আছে, এটা ঠিক করতে পারলে এখনও কোয়ালিফাই করা সম্ভব।’
প্লে-অফের সমীকরণটা কঠিন হলেও এখনও আশা হারাচ্ছেন না ইমরুল। বলেছেন, ‘টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে আসলে বলা কঠিন যে প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে গেলো কিনা। আমাদের হাতে এখনও সুযোগ আছে যদি সবগুলো ম্যাচ ভালোভাবে জিততে পারি ডেফিনিটিলি আমরা কোয়ালিফাই করবো। এখানে জাস্ট মোমেন্টাম লাগে, যেটা শেষ ৪ ম্যাচে পাইনি। এটা ফিরলে হবে আশা করি।’
সাধারণত টপ অর্ডারে ব্যাটিং করলেও এবারের আসরে এখন পর্যন্ত ব্যাটিং করেছেন লোয়ার মিডল অর্ডারে। তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন, ‘এই বিপিএলে শুরুতে ম্যাচ খেলতে পারিনি। আমার ইনজুরি ছিলো, তারপর যখন টিমে ঢুকলাম তখন আবার হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি হলো। সবমিলিয়ে ইনজুরি নিয়ে স্ট্রাগল করতেছি। এখন যদি ম্যাচ খেলতে পারি চেষ্টা করবো টপ অর্ডারে ব্যাটিং করার।’
বিপিএলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স তার অধীনে ৩বার শিরোপা জিতেছে। এবার খুলনায় তিনি খেলছেন মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে। মিরাজের অধিনায়কত্ব নিয়ে মিরাজ বলেন, ‘ক্যাপ্টেন্সি…সে যখন জাতীয় দলে করে আসছে তাহলে তাকে তো শেখানোর কিছু নেই। সে অবশ্যই যোগ বলে এখানে দায়িত্বটা পেয়েছে। দলে যখন রেজাল্ট না আসলে তখন অনেক প্রশ্নই ওঠে আর ভালো হতে থাকলে সবকিছুর প্রশংসা হতে থাকে। সবই ভালো হচ্ছে শুধু রেজাল্টই আসছে না। রেজাল্ট এলে সবকিছু আগের মতো হয়ে যাবে।’









