পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিনে, ফিলিস্তিনিরা ইহুদিবাদী ইসরায়েলি গণহত্যায় ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িঘরের পাশে জড়ো হয়ে ইফতার করেছে। ফিলিস্তিনিরা তাদের প্রিয়জনদের হারানোর অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে দুর্বিসহ ওই পরিস্থিতির মধ্যে ইফতার করে।
গাজা উপত্যকার উত্তরে, যেখানে সমস্ত আবাসিক এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে, ফিলিস্তিনিরা সেখানে এমনসব তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছে যেখানে ন্যূনতম মৌলিক সুযোগ-সুবিধাও নেই এবং সাধারণ খাবার, প্রধানত টিনজাত খাবার দিয়ে তাদের ইফতার করতে হচ্ছে।
দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনুস শহরের পরিস্থিতিও এরচেয়ে খুব একটা আলাদা ছিল না। সেখানেও হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শরণার্থী খাদ্য ও পানি সংকটের মধ্যে তাঁবুগুলোতে ইফতার করতে বাধ্য হয়েছিল। গাজাযুদ্ধে গণহত্যার ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা খাবারের অভাবে অভুক্ত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেছেন এবং তরুণরা স্বেচ্ছায় রোজাদারদের মাঝে খেজুর ও পানি বিতরণ করেছেন।
গাজা উপত্যকার দক্ষিণে অবস্থিত রাফাহ শহর এবং শুজাইয়া মহল্লায় গণ ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। গাজাযুদ্ধের ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঘর-বাড়িহারা শত শত ফিলিস্তিনি ওই ইফতারের দস্তরখানে জড়ো হয়।
লক্ষ্যণীয় বিষয়টি হল, ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ সত্ত্বেও, গাজার মানুষ পুনরায় জীবন গড়ার চেষ্টায় আশাবাদী। তারা তাদের বাড়ির ধ্বংসপ্রাপ্ত দেয়ালে লণ্ঠন ঝুলিয়ে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আশার আলো জ্বালিয়ে তোলার চেষ্টা করছে।









