কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ, ভাসানীর আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের মানুষের আওয়ামী লীগ ও ভোটারদের আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে যদি ভোটের বাইরে রাখা হয়, তাহলে আমি গামছা মার্কা নিয়ে নির্বাচনে যাবো না।
গতকাল সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল গণ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী আজ অনেক লাফালাফি করছে। আমি আল্লাহকে হাজির-নাজির করে বলছি, তারা এককভাবে ইলেকশন করলে পাঁচটির বেশি আসন পাবে না। মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত যে অপরাধ করেছে, সত্যিকার অর্থে মাফ না চাইলে তারা কখনও দেশের শাসন ক্ষমতায় যেতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘দাবি আদায়ের জন্য, অধিকার আদায়ের জন্য কখনও কখনও যুদ্ধ করতে হয়। তার মানে এই নয় যে বিশৃঙ্খলা করতে হবে। আমি যুদ্ধ পছন্দ করি, কিন্তু বিশৃঙ্খলা পছন্দ করি না। দেশে এখন বিশৃঙ্খলা চলছে। কতজনের কত বাড়িঘর ভাঙলো, শেষে শুনছি রাষ্ট্রের সরকারের সর্বোচ্চ প্রধান তার বাড়িতেও নাকি আক্রমণ হয়। যে লোক নিজেকে রক্ষা করতে পারে না, বাড়িঘর রক্ষা করতে পারে না, তিনি কীভাবে ১৮ কোটি মানুষকে নিরাপত্তা দেবেন।’
ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘শেখ হাসিনা যখন আপনাকে সুদখোর বলেছিল, আমি তখন আপনার গ্রামীণ ব্যাংকের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। আমি পাশে না দাঁড়ালে গ্রামীণ ব্যাংক মাটির সঙ্গে মিশে যেত। ভবিষ্যতেও শুধু গ্রামীণ ব্যাংক নয়, গ্রামীণ নামে যা কিছু আছে, তারও বিপদ আছে।
বহেড়াতৈল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্যে দেন সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস সবুর খান, বাসাইল উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি রাহাত হাসান টিপু, সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সজীব, কালিহাতী উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক ইতহার সিদ্দিকী প্রমুখ।









