জাহিদ হাসান থেকে শুরু করে নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছে তারিক আনাম খান অভিনয়ের এক প্রতিষ্ঠান। অনেকেই আবার তার মতো হতে চান।
কিন্তু তারিক আনাম যে মাপের অভিনেতা, তাকে কি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছেন দেশের নির্মাতারা? বলিউডের অমিতাভ বচ্চন, দক্ষিণী রজন্তী কান্ত, কমল হাসানরা এখনও দুর্দান্তভাবে নিজেদের মেলে ধরছেন। একই জেনারেশনে অবস্থান করছেন তারিক আনাম খান।
অনেকেই বলে থাকেন, তারিক আনাম খানকে সঠিক ব্যবহার করা হচ্ছে না। এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন কিংবদন্তী এই অভিনেতা। হাসি দিয়ে উত্তরে তারিক আনাম বলেন, আমার মনে হয় দক্ষিণে চলে যাওয়া উচিত ছিল। তাহলে বেশি কাজকর্ম পেতাম। তবে সাউথের সিনেমা পেলে করবো।
সিজেএফবি অ্যাওয়ার্ড (কালচারাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)’এ আজীবন সম্মাননা গ্রহণ শেষে তারিক আনাম বলেন, সত্যি দুঃখজনক যে বয়স হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এখানে কাজের ব্যবস্থা কমে যায়। এখানে মার্কেট তরুণ যুবক নির্ভর। তবে হ্যাঁ তাদের থেকে আমি অনুপ্রেরণা পাই।
‘আমি একজন অভিনেতা হিসেবে নাটক সিনেমায় ভিন্ন চরিত্র করতে পারাটা আমার কাছে অনেক আনন্দের। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাই। ওটিটিতে এটা বেশি দেখা যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি চলচ্চিত্রেও সুবাতাস পাওয়া যাচ্ছে। কতটুকু কাজ করতে পারবো জানি না, তবে আমাদের নাটক চলচ্চিত্র এগিয়ে যাক এটা আমার সবার আগে চাওয়া।’
মঞ্চ, নাটক, ওটিটির বহু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান। পেয়েছেন একাধিকভাবে শ্রেষ্ঠ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতার পুরস্কার। সেই হিসেবে তিনি একজন চলচ্চিত্রের সিনিয়র শিল্পী। সিনেমাপাড়া ও এফডিসির অচলাবস্থা নিয়ে কথা বলেন তারিক আনাম খান।
তারিক আনাম বলেন, সময়ের সঙ্গে চলতে না পারলে শুধু এফডিসি কেন কোনো কিছুই চলবে না। আমাদের মার্কেট অনেক বড়। এখানে অনেক কর্মসংস্থান হওয়ার সুযোগ আছে। কাজেই আলোচনার ভিত্তি কীভাবে সময় উপোযোগী করা যায় তাই করা উচিত। প্রযোজক কীভাবে টাকা রিটার্ণ পায় সেই ব্যবসা করে দিতে হবে। যেমন আমি অভিনয় করতে গেলে ভাবি নতুন যারা দর্শক তারা কীভাবে আমার কাজ পছন্দ করবেন সেটাও খেয়াল রাখি।







