বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বসের ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ তালিকায় স্থান পাওয়া শেহজাদ নূর তাউস বলেছেন, ‘১০ বছর বয়সে কোডিং শেখা আমাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকার সুযোগ দিয়েছে এবং এই দক্ষতা বছরের পর বছর ধরে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে।’
আইএসডি ও ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রাক্তন এ শিক্ষার্থী আরো বলেন, আপনি যখন সময়ের আগেই শুরু করেন, তখন সেটি আপনার পরিচয়ের একটি অংশ হয়ে যায়। আর আপনার কাছের মানুষেরা সে যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সম্প্রতি দেশের প্রযুক্তি খাতের নেতৃবৃন্দ, সৃজনশীল পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকায় (আইএসডি) এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচকরা এ সময় বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে পেশাগত জীবন গঠন এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক সুযোগের জন্য প্রস্তুত করার বিষয়ে মতামত বিনিময় করেন।
স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত ‘ভয়েস অব চেইঞ্জ’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিশিষ্ট বক্তার মধ্যে তিনজন ছিলেন আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থী। আলোচনায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন টরন্টো-ভিত্তিক ডোরড্যাশের ইঞ্জিনিয়ারিং লিডার ও আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থী শেহজাদ নূর তাউস, সদ্য নির্বাচিত মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ও মেকআপ আর্টিস্ট অনিকা আলম, প্রিভে স্যালন চেইনের উদ্যোক্তা ও মালিক নাহিলা হেদায়েত, ব্যবসায়ী ও ফিটনেস অ্যাডভোকেট ও আইএসডি’র প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাওয়ান চৌধুরী এবং অর্থনীতিবিদ, উদ্যোক্তা ও মেকআপ আর্টিস্ট সালসাবিনা স্বর্ণা।

প্যানেল আলোচনায় আধুনিক কর্মজীবনের ব্যবহারিক দিক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অসুবিধার বিপরীতে এটিকে এদকটি কার্যকর টুল হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ফিটনেসের ভূমিকা এবং আরও উন্নত ও ব্যক্তি বিশেষায়িত কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও উপযুক্ত ক্ষেত্র গড়ে তোলার গুরুত্বের প্রতিও আলোকপাত করা হয়।
আইএসডির পরিচালক স্টিভ ক্যাল্যান্ড-স্কোবল বলেন, “আমাদের অ্যালামনাই ও কমিউনিটি সদস্যদের একে অপরকে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অনুপ্রাণিত করা এই প্যানেল আলোচনাকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। এখানে পাওয়া শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে, নতুন সম্ভাবনা দ্বার খুলে দেয়, শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে, যার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন শিল্পখাত ও দেশের সীমা পেরিয়ে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে।”









