ভারতের আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই পাইলট ও কেবিনক্রসহ ২৪২ যাত্রী নিয়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিধ্বস্ত ফ্লাইটটি থেকে এখন পর্যন্ত শতাধিক যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিমানটি একটি মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের ছাদে বিধ্বস্ত হওয়ায় পাঁচ মেডিকেল শিক্ষার্থীও নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের লাইভ আপডেট থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ধারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও দুর্ঘটনা নিয়ে শোকবার্তাও জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
ভারতীয় ১৬৯, ব্রিটিশ ৫৩ জন, পর্তুগালের ৭ জন ও কানাডার ১ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট এবং ১০ জন কেবিন ক্রু নিয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে ভারতের আহমেদাবাদের বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি। উড্ডয়নের কিছু সময়ের মধ্যেই মাত্র ৮২৫ ফুট উঁচুতে ওঠার পরই তা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়।
ভারতের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক রুটে চলাচল করা ফ্লাইট এআই ১৭১ বিধ্বস্ত হওয়ার পরই পরই চারদিকে আগুন আর ধোঁয়ার আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। বিমানে জ্বালানি ভর্তি থাকায় আগুনের ভয়াবহতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতের সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, বিমানের পাইলট যথেষ্ঠ দক্ষ ছিলেন এবং তাদের ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করছেন গুজরাটের উচ্চ তাপমাত্রা অথবা পাখির কারণে উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর তার নির্ধারিত গতি বাধাগ্রস্থ হতে পারে। বিধ্বস্ত হওয়ার আগেই জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে মে ডে কল বা অতিজরুরি সাহায্য সংকেত দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সাবহারওয়াল।
উদ্ধারকারী দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন এবং চালু করা হয়েছে হটলাইন নম্বরও। এই পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে বন্ধ আছে আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম।









