মঙ্গলবার পর্দা উঠছে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ১৩তম আসরের। হাইব্রিড মডেলে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় গড়াবে এবারের আসর। ভারতের মাটিতে পাকিস্তান না খেলায় সহ-আয়োজক হিসেবে থাকছে শ্রীলঙ্কা। এবারের আসর দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এই সংস্করণের বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশের মেয়েরা। অন্যদিকে বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে শুরু হতে চলেছে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। কিছুদিন আগেই আইসিসি ঘোষণা করেছিল বিশ্বকাপের প্রাইজমানি। এবারের মোট প্রাইজমানি ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার-বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা।
এবারের বিশ্বকাপে খেলছে আটটি দল। স্বাগতিক দুই দল ভারত ও শ্রীলঙ্কা ছাড়াও রয়েছে-বাংলাদেশ, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি যেহেতু বাড়ানো হয়েছে, তাতে সকল অংশগ্রহণ করা দলই মোটা অঙ্কের অর্থ পাবে। এমনকি, টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ না জিতলেও বিশাল অর্থ পাবে দলগুলো।
এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কোনো ম্যাচ না জিতলেও তারা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ বাবদ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পাবে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা। এর সঙ্গে যদি গ্রুপপর্বে জয় আসে, তবে প্রতিটি জয়ের জন্য যুক্ত হবে আরও ৩৪ হাজার ৩১৪ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪১ লাখ ৬১ হাজার।
সেমিফাইনালে উঠতে পারলে পুরস্কার ধাপে ধাপে বাড়বে। শেষ চারে পৌঁছানো দলগুলোর প্রাইজমানি ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার করে। যা প্রায় ১৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। রানার্সআপ হলে পুরস্কার দাঁড়াবে ২২ লাখ ২৪ হাজার ডলার। আর স্বপ্নের মতো শিরোপা জিততে পারলে বাংলাদেশের মেয়েরা পাবে সর্বোচ্চ ৪৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৪ কোটি ৩৪ লাখ।
২০২২ সালের নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের অর্থ পুরস্কার বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। চ্যাম্পিয়ন দল যেখানে আগেরবার পেয়েছিল ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার, এবার সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৪৪ লাখে। রানার্সআপের পুরস্কারও বেড়েছে ২৭৩ শতাংশ।









