রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়ায় ফাহমিদা তাহসিন কেয়া (২৫) নামে চার সন্তানের জননীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় পলাতক স্বামী সিফাত আলীসহ (৩০) নয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।
নিহত কেয়ার মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে কেয়ার স্বামী সিফাত আলীকে। তবে এখনো কেউ ধরা পড়েনি।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমান শুক্রবার দুপুরে জানান, নিহত কেয়ার মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারটি হত্যা মামলা হিসেবে করা হয়েছে। মামলায় কেয়ার স্বামী সিফাত ও তাদের গাড়িচালকসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।
নিহত কেয়ার পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে কেয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার পর কৌশলে ফোনকল করে স্বজনদের জানিয়ে পালিয়ে যান সিফাত আলী।
নিহত নারীর ফুফু সৈয়দা ফাতেমা জাহান কলি জানান, বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সিফাত তার শাশুড়ি নাজমা বেগমকে ফোন করে জানান- কেয়া খুবই অসুস্থ। আপনারা বাসায় আসেন। কী হয়েছে জানতে চাইলে সিফাত একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে ‘ কেয়া আর বেঁচে নেই’।
এরপর নাজমা বেগম স্বামীসহ ওই বাসায় পৌঁছান। তারা সেখানে গিয়ে দেখেন সিফাত কেয়াকে নিয়ে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে যাচ্ছেন। তখন সিফাতের বন্ধু কাজী মারুফ প্রেম, গৃহকর্মী মনির ও গাড়িচালক সঙ্গে ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছার পর চিকিৎসকরা কেয়াকে মৃত ঘোষণা করলে সিফাতসহ অন্যরা সেখান থেকে সটকে পড়ে। পরে নাজমা বেগম ও তার স্বামী বাসায় ফিরে দেখেন, সিফাত বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।









