গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ফুলমতি বেগম (৪৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের ধুন্দিয়া গ্রামে। তবে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে- না তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এ নিয়ে ওই এলাকার জনমনে ব্যাপক গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত গৃহবধূ ফুলমতির সাথে সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী ফয়েজ উদ্দিনের মনোমালিন্য চলে আসছিল। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকতো। এর জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও ঝগড়াঝাটি হলে ফয়েজ ক্ষুব্দ হয়ে ফুলমতিকে মারধর করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির লোকজনসহ পাড়া-প্রতিবেশীরা ফুলমতির ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায়
ফুলমতির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
পরে বিষয়টি গোবিন্দগঞ্জ থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি সেখান থেকে উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে থানায় নিয়ে আসে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
তবে নিহত ফুলমতির বাবার বাড়ির লোকজনের দাবি- তাকে হত্যা করার পর হত্যার ঘটনাটি অন্য খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে মরদেহটি ঝুলিয়ে রেখে এটা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করছে ফয়েজসহ তার বাড়ির লোকজন।
গৃহবধূ ফুলমতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়েরের পর মরদেহটির ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।









