আদালত অবমাননার অভিযোগ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আগামী ১ আগস্ট।
আজ এবিষয়ে রায়ের দিন পূর্বনির্ধারিত থাকার পর নুরের সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন অসুস্থতার জন্য আসতে না পারায় তার পক্ষে সময় চাইলে বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য ১ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
আদালতে আজ ভিপি নুরের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
সর্বশেষ গত ৩ জুলাই হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে নুর তার আইনজীবীর মাধ্যমে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। এই প্রথম তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এবং ভবিষ্যতে আদালত নিয়ে বক্তব্য দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি সচেতন থাকবেন বলে নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন করা হয়।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান ওইদিন আদালতকে বলেন, উনি (নুর) অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাচ্ছেন। তবে উনার বক্তব্যের মাধ্যমে বিচার বিভাগের যে ক্ষতি হবার তা তো হয়ে গেছে। তাই অবশ্যই তাকে একটা প্রতীকী দণ্ড হলেও দেয়া হোক।’
ওইদিন শুনানির একপর্যায়ে হাইকোর্ট নুরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদের কথায় কাজে সচেতনতা থাকা জরুরি। আদালতের মর্যাদা রক্ষা সকল নাগরিকের দায়িত্ব। রাজনীতিবিদের কথায় উসকানি থাকলে তার বিরূপ প্রভাব সাধারণ মানুষ বা কর্মীর মধ্যে পৌঁছে যায়। এবিষয়ে সবার সতর্ক থাকা দরকার।’
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার একটি অভিযোগ প্রধান বিচারপতি বরাবর উপস্থাপন করা হলে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক–আল–জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। সে ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারির পাশাপাশি ভিপি নুরকে হাইকোর্টে তলব করেন।









