সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান পরিচালনার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি আখতারুজ্জামান।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে নিউজ আপডেটে বলা হয়েছে, ‘সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল কর্তৃক অনুসন্ধান পরিচালনাধীন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আখতারুজ্জামান প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নিকট নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেছেন।’
গত ২৬ আগস্ট সুপ্রিম আরেক নিউজ আপডেটে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক মো: আখতারুজ্জামানের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
বিচারপতিদের অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্য বিশিষ্ট সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কার্যক্রম শুরু করে। কাউন্সিলের অপর দুই সদস্য হলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম এবং বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
এই কাউন্সিলের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ হতে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করলে গত ১৯ নভেম্বর তাদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়।
২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতির বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি তাদের বেঞ্চ প্রদান হতে বিরত রাখেন। তাদের মধ্যে একজন (বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন) বিগত ৩০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন। এছাড়া, দুইজন বিচারপতি (বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম এবং বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন) হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি। এছাড়া, অপর দুই বিচারপতি (বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান এবং বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস) ইতোমধ্যে অবসর গ্রহণ করেছেন। এছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর রাষ্ট্রপতি দুইজন বিচারপতিকে অপসারণ করেন। এর মধ্যে বিচারপতি খিজির হায়াতকে গত ১৮ মার্চ এবং বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে গত ২১ মে অপসারণ করা হয়। অপর পাঁচ বিচারপতির বিষয়ে কাউন্সিলের তদন্ত কার্যক্রম চলে।









