ফেনীতে বন্যায় পোল্ট্রি শিল্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। খামারিরা ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে।
১৩ হাজার লেয়ার মুরগি নিয়ে পোল্ট্রি খামার করা ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের মোহাম্মদ শিমুল জানান, এই পোল্ট্রি খামারে কখনও বন্যার পানি উঠেনি। কিন্তু এবারের বন্যায় খামারে ঘরের চাল পর্যন্ত পানি উঠায় ২ হাজার মুরগি বাঁচাতে পারলেও অনেক চেষ্টা করেও বাকি ১১ হাজার মুরগি বাঁচাতে পারিনি। সরকার সহযোগিতা করলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।
৬ হাজার সোনালী মুরগি থাকা পোল্ট্রি খামারি সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের এসএস পোল্ট্রি এন্ড ডেইরী ফার্মের মালিক মো: রফিকুল ইসলাম শাহীন বলেন, লাভের আশায় খামারে আরও ২ হাজার বয়লার মুরগির বাচ্চা এনেছিলাম। বন্যার পানি দ্রুত বাড়তে থাকলে মুরগি মারা যাবে ভেবে মুরগিগুলোর বের হওয়ার জন্য খামারের কয়েকটি জায়গার মুখ খুলে দিয়েছিলাম। এক পর্যায়ে মুরগি গুলো বন্যার পানিতে ডুবে মারা যায়। অনেক চেষ্টা করে এক হাজার বয়লার মুরগির বাচ্চা বাঁচাতে পেরেছি।
ফেনী জেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, ফেনীতে বন্যায় প্রায় ২০ লাখের বেশি মুরগি মারা গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ খামারের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার। টাকায় এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।
ফেনী জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, বন্যায় প্রাণীসম্পদ বিভাগের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হচ্ছে। তারপর সরকার থেকে যে যে নির্দেশনা আসবে তেমন ভাবে খামারিদের সহযোগিতা করা হবে। সরকারি ভাবে এখনও সহযোগিতা আসেনি।









