লক্ষীপুরে সৌদী প্রবাসীর কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা ইমামুল হক হাসানকে (৬৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার দালাল বাজারের পশ্চিম লক্ষীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রোববার (২ নভেম্বর) এ ব্যাপারে হাসানের পুত্রবধু সাথী আক্তার বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ইমামুল হক হাসান দালাল বাজারের একজন চা দোকানী।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা (জুয়েল) ও চাচা দুইজনই বর্তমানে সৌদীতে কর্মরত। তার বাবা মায়ের বিচ্ছেদের কারণে সে তার সৎ মায়ের কাছেই থাকতো।
পুলিশ, ভিকটিম ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ১ বছর থেকে আপন নাতনীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করে তার দাদা হাসান। কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে হাসান তার সাথে জোরপুর্বক শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ওই কিশোরীকে হত্যার হুমকিসহ নানা ভয়ভীতি দেখান তিনি।
এরপর গত তিনদিন আগে বাড়ী সংলগ্ন একটি সুপারী বাগানে ওই কিশোরীর ওপর শারীরিক নির্যাতনের সময় এলাকাবাসীর কাছে ধরা পড়ে হাসান। পরে গ্রাম্য শালীশের জন্য শনিবার বিকেলে স্থানীয় দালাল বাজার ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের গ্রাম আদালতে যাওয়ার কথা থাকলেও সেখানে যাননি তিনি।
এদিকে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে পরিবার পক্ষ থেকে তার শারীরিক পরীক্ষা করে দেখা যায় সে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে হাসান পালানোর চেষ্টা করার সময় শনিবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মডেল থানায় রাখা রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।









