নতুন নির্মাণ নিয়ে ফিরছেন গুণী নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম। এবারের কাজটি রোমান্টিক কমেডি ধাঁচের, নাম ‘পারফেক্ট ওয়াইফ’। এটি মুক্তি পাবে দেশের জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে।
চরতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২২ অক্টোবর রাত ১২টা (২৩ অক্টোবর)–থেকে দেখা যাবে চরকির নতুন এই ফ্ল্যাশ ফিকশন। এরইমধ্যে (২০ অক্টোবর) প্রকাশ পেয়ে গেছে এর ট্রেলার। যা দেখে ধারণা করা যাচ্ছে তরুণ দুই দম্পতির দাম্পত্য জীবনের কিছু ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে গল্প।
ট্রেলারে স্পষ্ট যে, এক দম্পতি তার বিবাহিত বন্ধুর বাড়িতে বেরাতে আসে। আর তারপর থেকেই শুরু হয় নানান ঘটনা। দুই দম্পতির মধ্যে ভালোবাসা থাকলেও ধীরে ধীরে তৈরি হতে থাকে কলহ। কিন্তু এই কলহের উৎপত্তি কোথায়? নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম জানান, কলহের উৎপত্তি বোঝা যাবে কনটেন্টটি দেখার পর। তবে এই এই বোঝাপড়াটা এত সহজ নয়।
গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেন, “পুরুষালি দৃষ্টিভঙ্গিতে ‘মনের মতো বউ’ বলে একটা বিষয় কাজ করে। স্বামী দ্বারা নির্ধারিত কিছু গুণ থাকলেই হয়তো সেই স্ত্রী পারফেক্ট। এই প্রচলিত ধারণা বা আকাঙ্খাকে প্রশ্ন করতেই আমাদের নতুন নির্মাণ ‘পারফেক্ট ওয়াইফ’। আমরা এই গল্পটা একটু মজা করে বলার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় দর্শকরা পছন্দ করবেন।”
মনপুরা, স্বপ্নজাল, পাপ পুণ্য, কাজলরেখা এবং চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘গুণিন’ খ্যাত নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের কাছে দর্শকরা সিনেমাই প্রত্যাশা করে। কেন হঠাৎ করে কম দৈর্ঘ্যের কনটেন্ট নির্মাণ করলেন তিনি?
উত্তরে জনপ্রিয় এ নির্মাতা বলেন, “নির্মাতা হিসেবে আমি সব রকমের কাজই করতে চাই এবং করাই উচিৎ বলে মনে করি।” তরুণ–নবীনদের নিয়েই কাজটি করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তিনি জানান, এ কনটেন্টের সিনেমাটোগ্রাফার, এডিটর, মিউজিক ডিরেক্টর এবারই প্রথম ফিকশনে কাজ করলেন। ফ্ল্যাশ ফিকশন ‘পারফেক্ট ওয়াইফ’– এ দম্পতির চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুদীপ বিশ্বাস দীপ, আরিয়ানা জামান। আরেক দম্পতির ভূমিকায় আছেন মীর রাব্বি ও জৌপারী লুসাই।
এদের মধ্যে সুদীপ বিশ্বাস দীপ ছাড়া বাকি তিন জনই প্রথমবারের মতো কাজ করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নির্দেশনায়। এমন গুণী নির্মাতার পরিচালনায় কাজ করে উচ্ছ্বসিত শিল্পীরা।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা–আই এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি– এর যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘পারফেক্ট ওয়াইফ’ চতুর্থ ফ্ল্যাশ ফিকশন। ফ্ল্যাশ ফিকশনের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি জানিয়েছিলেন, ফ্ল্যাশ ফিকশন মূলত জীবনের কিছু মুহূর্তের নান্দনিক বা সিনেম্যাটিক বর্ণনা। এটাকে স্লাইস অফ লাইফও বলা যেতে পারে। এ ধরনের কনটেন্টে জীবনের ছোট ছোট ঘটনা উঠে আসবে হয়তো, কিন্তু এর প্রভাব অনেক বড় এবং গভীর।









