মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চোখ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে, সেটি দখলের পরিকল্পনা কষছেন। ফলে উত্তপ্ত ইউরোপ। জেরে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিতে পারে জার্মানি, সঙ্গ দেয়ার কথা ছিল ফ্রান্সেরও।
যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলবে না চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, জানিয়ে দেশটির রাজনৈতিক দলের নেতা ও সংসদ-সদস্যরা জার্মান ফুটবল ফেডারেশনকে (ডিএফবি) দ্রুত এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জার্মানির সরকারদলীয় রাজনৈতিক দল ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) এতে সম্মতি আছে।
সিডিইউয়ের নেতা ইয়ুর্গেন হার্ডট বলেছেন, ‘জার্মানির বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভবনা আছে। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পকে জবাব দেয়ার শেষ অবলম্বন হিসেবে বিশ্বকাপ বয়কটকে বিবেচনা করা হবে।’
ডেনমার্ক ছাড়াও জার্মানিসহ ইউরোপের আটটি দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র দেশগুলোর উপর চড়া শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে। সেটি কার্যকর হলে বিশ্বকাপ বর্জনের পথে হাঁটবে জার্মানি।
এ বিষয় ফ্রান্স সরকারের কথা আবার ভিন্ন। তাদের ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, বিশ্বকাপ বয়কটের পক্ষে নয় ফ্রান্স।
ফরাসি রাজনীতিবিদ এরিক কোকেরেল বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়, যা তারা কানাডা এবং মেক্সিকোর সাথে ভাগ করে নিচ্ছে।’
আলোচনায় আছে, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করলে বেশকিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্র বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে। জার্মানির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা বা না করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। বয়কটের পক্ষে জনমত প্রচারণা চালাচ্ছেন রাজনীতিবিদরা।
জার্মানির ২০২৬ বিশ্বকাপ বয়কটের বিষয় আইএনএসএ পোলিং ইনস্টিটিউট একটি জরিপ করেছে। দেখা যায়, জার্মান জনসংখ্যার অধিকাংশ জনগণ বয়কটের পক্ষে। দেশটির ৪৭ শতাংশ মানুষ বিশ্বকাপ বয়কটের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপরীতে বিশ্বকাপে খেলার পক্ষে ৩৫ শতাংশ মানুষ।
২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো হলেও মার্কিন মাটিতেই বেশিরভাগ ম্যাচ হবে।









