দীর্ঘ ১৬ বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন গামিনি ডি সিলভা। আলোচনা-সমালোচনা সঙ্গী করে বাংলাদেশ অধ্যায়ের ইতি টানলেন গামিনি। সংবর্ধনা জানিয়ে লঙ্কান কিউরেটরকে বিদায় জানিয়েছে বিসিবি।
শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার হাতে বিদায়ী স্মারক তুলে দেন বোর্ড কর্তারা। দীর্ঘদিন যাদের নিয়ে কাজ করেছেন, সেই মাঠকর্মীরাও শুভেচ্ছা ও শুভকামনায় সিক্ত করেন এই লঙ্কানকে।
গত জুলাইয়ে গামিনির সাথে চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছিল বিসিবি। তবে সেই চুক্তির ৯ মাস বাকি থাকতেই তাকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী দুই মাসের বেতন পাচ্ছেন তিনি। ১০ নভেম্বর শ্রীলঙ্কায় ফিরে যাবেন গামিনি।
২০১০ সালে বিসিবিতে যোগ দেন গামিনি। তার অধীনে ৩২টি টেস্ট, ১০৬টি ওডিআই ও ৬৮টি আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টির জন্য মাঠ প্রস্তুত করা হয়ে। বড় ইভেন্টের মধ্যে ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০১৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, তিনটি এশিয়া কাপ এবং বিপিএলের এগারোটি সংস্করণের সবগুলোতে কাজ করেছেন গামিনি।

একপর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন এই লঙ্কান। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে সমালোচনা হলে সমালোচনা হতো গামিনিকে নিয়েও। সেই সমালোচনা সহ্য করতে চায়নি বিসিবি। ফলে দীর্ঘ ১৫ বছরের দায়িত্ব শেষে গামিনিকে বদলি করে পাঠানো হয় রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে। মিরপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয় অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বখ্যাত পিচ কিউরেটর টনি হেমিংয়ের হাতে।









