চট্টগ্রাম থেকে: সিলেট স্ট্রাইকার্সের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম খেলছেন পাঁচ নম্বরে। জাকির হাসান চারে ও তৌহিদ হৃদয় তিনে। উপরে সুযোগ পেয়ে প্রতিদানও দিচ্ছেন তারা। রান করছেন ধারাবাহিকভাবে।
মুশফিক চাইলে নিজের চার নম্বর পজিশন ধরে রাখতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি। বিপিএলে এবার অনেকটা ফিনিশারের ভূমিকায় মি. ডিপেন্ডেবল। মুশফিকের উদারতায় মুগ্ধ জাকির।
‘এটা আসলে সম্মানের। মুশফিক ভাইয়ের মতো ক্রিকেটার, উনি ওনার জায়গা ছেড়ে আমাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন। আসলে এটা বলার মতো ভাষা নেই। ওনার কাছ থেকে এই জিনিস পেয়ে খুব ভালো লেগেছে। এর আগেও পেয়েছিলাম, রাজশাহীতে যখন খেলেছি (জাতীয় লিগ), চারে ব্যাট করেছি। উনি সবসময়ই জিনিসটা সহজ করে দিয়েছেন। আমি, তৌহিদ হৃদয় বা আমরা যারা আছি এই জিনিসটা খুবই ভালো লাগে। গর্ব হয়।’
ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি করা জাকিরকে নিজের মতো করে খেলার অভয় দিয়েছেন বিপিএলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।
‘মাশরাফী ভাইয়ের নেতৃত্বে খেলতে সবসময় ভালো লাগে। ওনার সঙ্গে আরও একবার খেলেছি, চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। এবারও খুব ভালো লাগছে। কোনো চাপ নেই, উনি বলেছেন নিজের স্বাধীনতা নিয়ে খেলতে। কোনো ভয় নেই।’
২৭, ৪৩, ২০, ১০। বিপিএলে চার ম্যাচে জাকিরের রান। আর মুশফিকের রান ৬*, ২৩*, ২৮*, ৬।
বিপিএলের ঢাকা পর্বে টানা চার ম্যাচে জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে সিলেট। চট্টগ্রাম পর্বে দলটি খেলবে দুটি ম্যাচ। বৃহস্পতিবার বন্দরনগরীতে আসা দলটি শুক্রবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের আউটার গ্রাউন্ডে অনুশীলন করেছে। সেখানেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন জাকির।
সিলেটকে শীর্ষে তুলতে ব্যাট হাতে বড় অবদান রেখেছেন তৌহিদ হৃদয়। টানা তিন ইনিংসে ফিফটি করা এ ক্রিকেটার চোটের কারণে ছিটকে গেছেন ১০ দিনের জন্য। আঙুলে লেগেছে ৮টি সেলাই। প্লে-অফে তাকে পেতে আশাবাদী সিলেট।







