সতীর্থ দানি কারভাহালের অ্যাসিস্টে বল পেয়েছিলেন ব্রাহিম দিয়াজ। লেইপজিগের তিন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে রক্ষণদুর্গ ভেঙে করেন দারুণ এক গোল। বল জালে জড়িয়ে করেন বিশ্বমানের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যামের দুই হাত প্রসারিত করে উদযাপনের অনুকরণ। ২৪ বর্ষী ফুটবলার এভাবেই নিজের শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
রেড বুল অ্যারেনায় মঙ্গলবার রাতে চোটের কারণে খেলতে পারেননি বেলিংহ্যাম। বেঞ্চে বসেই তাকে ম্যাচ দেখতে হয়। তার পরিবর্তে দিয়াজ শুরুর একাদশে খেলার সুযোগ পেয়ে তা দুর্দান্তভাবেই কাজে লাগান। স্পেনিয়ার্ড এ খেলোয়াড়ের দুর্দান্ত গোলের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেলিংহ্যাম পোস্টে লেখেন, ‘ওহ মাই গড ব্রাহিম!’
ম্যাচ শেষে দিয়াজ বলেন, ‘আমি বেলিংহ্যামকে ভালোবাসি। খেলার প্রথম মুহূর্ত থেকে আমরা সত্যিই ভালো করেছি। তিনি একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়। তার সাথে খেলাটা উপভোগ করি। উনার ক্যারিশমা আছে। এছাড়াও তিনি একজন দারুণ ব্যক্তি।’
এসি মিলান থেলে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেয়া দিয়াজ ফর্মের সঙ্গে লড়ছিলেন। তবে মৌসুম যতো এগোচ্ছে, দলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পেয়েছেন ৮টি গোল। ক্লাবের অপরিহার্য খেলোয়াড়দের চোটের মাঝে তার জ্বলে ওঠা তাৎপর্য লস ব্লাঙ্কোসরা উপলব্ধি করছে।
চোটে পড়া সত্ত্বেও স্প্যানিশ জায়ান্টরা যে হাল ছাড়ার পাত্র নয়, ফুটবল মাঠে তা অগণিতবার প্রমাণিত হয়েছে। দিয়াজের কণ্ঠেও ছিল সেই সুর। বললেন, ‘জুড ও অ্যান্টোনিও রুডিগারসহ যারা দীর্ঘ সময় ধরে ইনজুরিতে আছেন, তাদের ছাড়াও দেখাতে থাকি আমরা দুর্দান্ত দল। আমরা রিয়াল মাদ্রিদ।’
লেইপজিগের বিপক্ষে বল জালে জড়ানোর মুহূর্তটির বিবরণটাও খোলামেলাভাবেই দিয়েছেন তরুণ এই ফুটবলার। তার ভাষ্য, ‘আমি বল পেয়েছিলাম দৌড়াতে শুরু করেছিলাম। দেখেছিলাম যে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছিল। তারা দৌড়ে পিছিয়ে যাচ্ছিল এবং আমি বলকে জালে ফেলেছিলাম।’
‘স্বজ্ঞানে আমি বলটা ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি শটটি নিয়েছিলাম। চমৎকার একটা গোল ছিল।’
রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তিও যোগ্য শিষ্যের প্রশংসা করতে কার্পণ্য করেননি। দুই বছর এসি মিলানে থাকায় চারিত্রিক দৃঢ়তার সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়েছেন বলেও অভিমত দেন।
‘খুব বেশি না খেলেই সে মৌসুম শুরু করেছিল। কিন্তু যখন সুযোগ পেয়েছে, সবসময় অবদান রেখেছে। আজ একটা দুর্দান্ত গোল করেছে।’







