বন্যার পানি কমতে থাকায় স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষতির চিহ্ন। পাওয়া যাচ্ছে মরদেহের সন্ধান। অনেকেই হারিয়েছেন সহায়-সম্বল। বড় ক্ষতি হয়েছে কৃষি ও মৎস্য খাতে। এখনও অনেক এলাকায় পানিবন্দী মানুষ। শিশুসহ অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন পানিবাহিত রোগে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর ৯৮ শতাংশ টাওয়ার সচল হয়েছে।
ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি আরও কমেছে, তবে দাগনভুঁইয়ার বেশিরভাগ এলাকা এখনও ডুবে আছে। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে বাড়ি ঘর আসবারপত্র। ডুবে গেছে হাঁস, মুরগি, গরুর খামার। অসুস্থ হচ্ছে শিশুরা।
স্রোত ও পানির উচ্চতা কমে আসায় বন্যাকবলিত কুমিল্লার উত্তরের উপজেলাগুলোতে পানির প্রবাহ কিছুটা কমে এসেছে। তবে এখনও অপরিবর্তিত দক্ষিণের চার উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি। এই জেলায় অন্তত ১২ লাখ মানুষ পানিবন্দী। সরকারি হিসাবে কুমিল্লায় বন্যায় ১৪ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা ১৯।
রাঙ্গামাটির কয়েকটি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও শহরের পৌর এলাকা ও নানিয়ারচরে পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এখনও কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবে আছে রাস্তা-ঘাট ও মানুষের ঘরবাড়ি। জেলা প্রশাসন ত্রাণ দিলেও তা অনেকটাই অপ্রতুল বলছেন এলাকাবাসী।
লক্ষ্মীপুরে পানি নামছে ধীরগতিতে। আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সরকারি হিসাবে সাত লাখ ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী বলা হলেও বেসরকারি মতে এই সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। বন্যায় জেলাটিতে এই পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিনই সাপে কাটা, নিওমোনিয়া এবং ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢলের পানি নেমে যাওয়ার পর শুধু মৎস্য ও কৃষি খাতে সম্মিলিতভাবে প্রায় ১৪ কোটি ৩২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।









