প্রায় ২৫ বছর ধরে ৩০০ শতাধিক সিনেমায় পর্দার আড়ালে মেকআপ আর্টিস্ট (রূপসজ্জা) হিসেবে কাজ করেছেন সবুজ খান। পর্দার আড়ালে থেকে স্ক্রিনে অভিনেতা, অভিনেত্রীদের চরিত্রের রূপ গঠনে তার সৃজনশীল অবদানের জন্য এবার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন তিনি।
২০২৩ সালের জন্য ঘোষিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান’ আর্টিস্ট হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পাচ্ছেন সবুজ।
তিনি হিমেল আশরাফ পরিচালিত, আরশাদ আদনান প্রযোজিত এবং শাকিব খান অভিনীত বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার জন্য এই পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন।
রাষ্ট্রের সবচেয়ে সম্মানজনক এই পুরস্কারটি তারকা অভিনেতা শাকিব খানকে উৎসর্গ করেছেন বলে জানালেন সবুজ খান।
সবুজের বাড়ি শরীয়তপুর। তিনি ঢাকার একটি মাদ্রাসায় পড়তেন। এলাকার এক বড় ভাই ফারুকের সঙ্গে সবুজ প্রায়ই এফডিসিতে যেতেন, তিনি সেখানেই খাবারের ব্যবসা করতেন। তার সূত্র ধরেই সবুজের যাতায়াত বাড়ে এফডিসিতে। তখনই মেকআপের কাজটি শিখে নেন সবুজ। মেকআপম্যানের সহকারী থেকে গত ২২ বছর ধরে সবুজ সুপারস্টার শাকিব খানের ব্যক্তিগত মেকআপম্যান হিসেবে কাজ করছেন।
সবুজের হাতেই শাকিবের আলোচিত সব সিনেমার লুক! বর্তমানে সবুজের সহকারী হিসেবে কাজ করছেন প্রায় ১০জন মেকাপম্যান। তারা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক ও মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছেন।
সবুজ বলেন, মেকআপের কাজ শিখে কিছুদিন মান্না ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছি। এরপর শাকিব ভাইয়ার সঙ্গে ‘নষ্ট ছাত্র’ সিনেমা থেকে কাজ করছি। আমার আজকের এই অবস্থানে আসার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান শাকিব ভাইয়ার। তিনি সবসময় আমাকে তার কাছে রেখেছেন।
সবুজ খান বলেন, আমার এই পুরস্কারটি তাকে (শাকিব খান) উৎসর্গ করছি। কারণ, তার কারণে আজ আমি এই পেশায় প্রতিষ্ঠিত। এই পুরস্কারে পেয়ে আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তবে আমার বস (শাকিব খান) যদি পুরস্কারটি পেতেন আমি মহা আনন্দিত হতাম। সত্যি বলতে আমি খুশী হয়েছি কিন্তু সেই খুশী প্রকাশ করতে পারছি না। কারণ, উনি সবসময় আমাকে বলতেন ‘তুই একটা ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ডিজার্ভ করিস’!









