অ্যামাজনে অ্যাপল স্মার্ট ঘড়ির অর্ডার করে তার পরিবর্তে একটি নকল ‘ফিটলাইফ’ ঘড়ি পেয়েছেন সানায়া নামের এক ভারতীয় নারী। অ্যামাজন অভিযোগ অস্বীকার করেছে বলেও দাবি করেছেন এই নারী। এই ঘটনায় অর্থ ফেরত কিংবা পুনরায় অ্যাপল স্মার্ট ঘড়ি দেওয়ারও প্রস্তাব করেনি অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ।
বুধবার ১২ জুলাই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, গত ৮ জুলাই ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি অ্যাপল স্মার্ট ঘড়ি অর্ডার করেন সানায়া।
পরের দিন ৯ জুলাই একটি ‘ফিটলাইফ’ ঘড়ি হাতে পেয়েছেন। সাথে সাথে তিনি অ্যামাজন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তা অস্বীকার করা হয় বলে জানান সানায়া।
পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে একটি পোস্ট করেন সানায়া। এতে তিনি লিখেন, ‘অ্যামাজন থেকে কখনও অর্ডার করবেন না!!! আমি ৮ জুলাই অ্যামাজন থেকে একটি অ্যাপল ঘড়ি সিরিজ-৮ অর্ডার করেছি। যাইহোক, ৯ তারিখে আমি একটি নকল ‘ফিটলাইফ’ ঘড়ি পেয়েছি। বেশ কয়েকটি কল সত্ত্বেও ‘অ্যামাজন হেল্প’ তা অস্বীকার করেছে।’
অ্যামাজন অবশ্য এই টুইটের জবাব দিয়েছে এবং অসুবিধার জন্য ক্ষমাও চেয়েছে। টুইটে অ্যামাজন লিখেছে, ‘আপনার অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। অনুগ্রহ করে ‘ডিএম’ নিয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা সহায়তা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। অনুগ্রহ করে আপনার অর্ডার/অ্যাকাউন্টের বিবরণ দেবেন না।’
পরবর্তীতে সানায়া এর আপডেট জানিয়ে আরেকটি পোস্ট করেন। যেখানে তিনি লিখেন, ‘টুইট করার পর ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় হয়ে গেছে। এছাড়াও আমি নকল ঘড়িটি পেয়েছি তিন দিন হয়ে গেছে। আমি সহায়তার জন্য অ্যামাজন হেল্প-এর সাথে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তারা সাহায্য করেনি এবং কোন কিছু দিতে ইচ্ছুক নয়।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকে এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকে আবার একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেছেন। পোস্টটিতে মন্তব্য করে একজন লিখেছেন, ‘আমি গ্যাজেট বা ব্যয়বহুল কেনাকাটার জন্য এই অনলাইন পোর্টালগুলোকে কখনই বিশ্বাস করি না। দোকান থেকে সরাসরি গ্যাজেট কেনার সন্তুষ্টির চেয়ে কিছুই নেই।’
অন্য একজন লিখেন, ‘আমি অ্যামাজন থেকে একটি মাদারবোর্ড কেনার সময় একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম। তারা আমাকে চার থেকে পাঁচ দিন অপেক্ষা করতে বলেছিল, কারণ তারা বিষয়টি তদন্ত করছে। এটি ৬৫ দিনের বেশি হয়ে গেছে এবং আমি কোন টাকা ফেরত পাইনি। তারা আমাকে কোন সমাধানও দেয়নি।’








