ঘরের মাঠে কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচে নির্দিষ্ট সংখ্যার অতিরিক্ত দুজন খেলোয়াড় বদলি হিসেবে নামিয়েছে সেলেসাওরা। যা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। সেটি অবশ্য নিয়মের মধ্যে থেকেই করেছেন ব্রাজিল কোচ ডোরিভাল জুনিয়র।
দলের জয়সূচক গোল করার পরপরই মাঠ ছাড়েন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র। পরিবর্তে ক্ষণিকের জন্য নেমে ব্রাজিল জার্সিতে অভিষেক হয় ফ্লেমেঙ্গোর সেন্টারব্যাক লিও ওরতিজের। ম্যাচে ওরতিজই ছিলেন শেষ এবং ব্রাজিলের সপ্তম বদলি।
মূলত কনকাশন তথা, চোটজনিত বদলির কারণে দুজন বাড়তি খেলোয়াড় নামাতে পেরেছে ব্রাজিল। যা নিয়মের অধীনে থেকেই। এই ম্যাচে চোটের কারণে খেলার মাঝে মাঠ ছাড়তে হয় মিডফিল্ডার গারসন ও গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে। তাদের স্থলাভিষিক্ত কাউকে নামাতে হতো। সেটি স্বাভাবিক পাঁচ বদলির আওতায় পড়েনি।
কনকাশন প্রোটোকল নিয়ম অনুযায়ী- যেকোনো দলের কনকাশন বদলির প্রয়োজন হলে বাড়তি খেলোয়াড় নামানোর অনুমতি পায়। কোনো ফুটবলার যদি ম্যাচের সময় মাথায় আঘাত পান, তার জায়গায় একজন নতুন খেলোয়াড় মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন।
এছাড়া কোনো দল কনকাশন বদলি করলে, বাড়তি একজন খেলোয়াড় বদলি নামাতে পারবে তাদের প্রতিপক্ষও। আবার, চোটের কারণে ওই খেলোয়াড় বদলি করার সুযোগ তো থাকছেই, এর বাইরে স্বাভাবিক নিয়মে ৫টি বদল করতে পারে দলগুলো। ব্রাজিল দুটি বাড়তি বদলি নামায় অ্যালিসন ও গারসনের কনকাশন হিসেবে।
এর আগে করোনার সময়ে একটি দলকে চারের পরিবর্তে সর্বোচ্চ পাঁচজন বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামানোর সুযোগ দেয়া হয়। ফুটবলের আইন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) নিয়মটি অনুমোদন করার পর ২০২১ সালে স্থায়ীভাবে কার্যকর শুরু করে ফিফা।









