বিক্ষোভের তিনদিন পেরিয়ে গেলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে না শাটল ট্রেন। প্রশাসন থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮টি বাস। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রক্টর সৌরভ সাহা জয় শাটল ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করলেও আজ রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে দেখা যায় বিপরীত চিত্র।
চবি প্রক্টর নুরুল আজিম সিকদার চ্যানেল আই কে জানান, ‘রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের এখনও আলোচনা চলছে। ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে৷ ট্রেন বন্ধ থাকায় আমরা শিক্ষার্থীদের শহর থেকে ক্যাম্পাসে যাতায়াতের জন্য ৮টি বাস বরাদ্দ দিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সকাল ৯টায় ৩টি বাস বটতলী থেকে ও ষোলোশহর থেকে ৫ টি বাস ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওনা হবে।’
এর আগে বৃহষ্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাটল ট্রেন ক্যাম্পাস অভিমুখে আসার সময় ফতেয়াবাদ স্টেশনের কাছাকাছি ছাদে থাকা ১৫ জন শিক্ষার্থী গাছের ডালের সাথে বাড়ি খেয়ে আহত হন। পরে ট্রেনটি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা ট্রেন থেকে নেমে জিরো পয়েন্টে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করে। এসময় ট্রেনের লোকোমোটিভ মাস্টারকেও আটকে রাখা হয়৷ এসময় আগুন জ্বালানোসহ ভিসি বাসভবন, পুলিশ বক্স ও পরিবহনে ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলন শিথিল হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত চলছে না শাটল ট্রেন। রেলওয়ে লোকো মাস্টাররা এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, ‘আমরা চবি শাটল চালাব না। যেখানে আমাদের ক্রুদের নিরাপত্তা নেই।’







