একটি বা দুটি জায়গা নয়, একযোগে আঁধার নেমেছে ইউরোপের একাধিক দেশে! গোটা ইউরোপ জুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অবাক হচ্ছেন সকলে। স্পেন, পর্তুগালসহ ফ্রান্সের নানা প্রদেশ অন্ধকারে ডুবে গেছিলো, এখনও পুরোপুরি পরিস্থিতি ঠিক হয় নেই।
কী কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তা কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না। অনেকের আশঙ্কা, এটা কোনও হামলার ছক হতে পারে। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, সাইবার হামলার জন্যই এমন বিভ্রাট ঘটানো হয়েছে।
টানা এমন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে ইউরোপের ওই দেশগুলোর সাধারণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। ট্রাফিক সিগন্যাল থেকে বিমানবন্দর, রাস্তাঘাট থেকে মেট্রো স্টেশন, সব জায়গায় অন্ধকার। সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছেন।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে, কী কারণে এমন বিদ্যুৎ বিভ্রাট তা খুঁজতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা হলেও তা সম্ভব নয়। কারণ কাজ করতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লেগে যাবে।
স্পেন ও পর্তুগালের সরকার ইতিমধ্যে আপতকালীন বৈঠক ডেকেছে। সাইবার হানার বিষয়টিকে তাঁরা হালকাভাবে নিচ্ছে না। দুই দেশ ছাড়া ফ্রান্সের একাংশেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। একসঙ্গে একাধিক দেশের এতগুলো জায়গায় কীভাবে বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা।
এই ঘটনার প্রভাব যে বাকি আরও অনেক দেশে পড়বে তা বলাই বাহুল্য। কারণ, বহু মানুষ যারা ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, যারা সড়ক পথে অন্যান্য জায়গায় যাচ্ছিলেন, তাঁরা সকলে কার্যত ‘বন্দি’ হয়ে গেছেন।
বিদ্যুৎ না থাকায় কোনও পরিষেবাই অচল হয়ে পরে এয়ারপোর্ট স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। কারণ তাঁরা কোনও কিছুরই স্পষ্ট উত্তর পাচ্ছেন না। তবে স্পেন-পর্তুগালের সরকার সকলকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, দ্রুত পরিস্থিতি আগের মতো করতে তাঁরা বদ্ধপরিকর। সেই মতো কাজও চলছে।









