ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে দেশের বাইরে ফাইনালে ওঠার প্রথম কীর্তি। কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত ছিল তারা। সবমিলিয়ে টানা চারটি বড় আসরে ধারাবাহিক গ্যারেথ সাউথগেটের দল। এমন অর্জন নিজেরও অন্যতম সেরা, বলছেন কোচ।
সিগন্যাল ইদুনা পার্কে বুধবার রাতে নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে গেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশদের গোল দুটি করেছেন হ্যারি কেন ও ওলি ওয়াটকিন্স। ডাচদের একমাত্র গোলটি করেছেন জাভি সিমন্স। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের সামনে স্পেন।
গত ইউরোতেও ফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড। লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইতালির সঙ্গে টাইব্রেকারে হারে তারা। চলতি আসরে ফাইনালে উঠেই ইতিহাস গড়ে ফেলেছে দলটি। ইংল্যান্ডের সুদীর্ঘ ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার দেশের বাইরের আসরে ফাইনালে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে তারা শিরোপা জিতেছিল দেশের মাটিতে। গত ইউরোতে খেলা হয়েছে ১১টি দেশে। ইংল্যান্ড নিজেদের সব ম্যাচ খেলেছে লন্ডনে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে।
সাউথগেটের কোচিংয়ে বিশ্বকাপেও খুব খারাপ করেনি ইংল্যান্ড। ২০১৮ আসরে তারা সেমিফাইনালে খেলে, গত আসরে খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে। এমন পারফরম্যান্সে বেশ খুশি সাউথগেট।
‘হ্যাঁ, আমার মনে হয়, এটিকেই সেরা বলতে হবে। আরেকটি দারুণ মাইলফলক এটি। তাছাড়া আমরা যেভাবে খেলেছি, ম্যাচজুড়ে যেভাবে মেলে ধরেছি নিজেদের, সেই ব্যাপারটি আসলে দারুণ।’
‘টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠতে পারাটা খুব, খুব বিশেষ। বিশেষ করে যেসকল সমর্থক সফরে আসেন। আমাদের এই সমর্থকরা অসাধারণ, তারা যে অর্থ ব্যয় করেন, যতটা নিবেদন তাদের, তাদেরকে এই ধরনের একটি রাত উপহার দিতে পারা দারুণ তৃপ্তির।’
‘ভালোবাসা পেতে আমাদের সবারই ভালো লাগে, তাই না? যখন কেউ দেশের জন্য কিছু করতে থাকে, যখন কেউ গর্বিত নিজেকে একজন ইংলিশ অনুভব করে, তখন তার ওরকম সমালোচনা হজম করা কঠিন।’









