টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সবশেষ আসরে বাছাইয়ের বাধা টপকে মূলপর্বে খেলতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপেও সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের খেলা হয়নি। হারানো গৌরব ফিরে পেতে ভুগতে থাকা দলটি যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে নিজেদের সোনালী অতীত। পাঁচ ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতে ইংল্যান্ডকে ১০ রানে হারিয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ক্যারিবীয়রা।
গ্রেনাডায় বৃহস্পতিবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৬ রান তোলে। জবাবে ইংলিশরা ৭ উইকেট খুইয়ে ১৬৬ রানে থেমে যায়।
উইন্ডিজ ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও টপ অর্ডারের বাকি ব্যাটাররা সুবিধা করতে পারেননি। ৫৪ রানেই ঘটে ৪ উইকেটের পতন। এরপর শুরু হয় বাইশ গজে কিং ও অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েলের ঝড়। পঞ্চম উইকেটে এ দুই ব্যাটার ৮০ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামলান।
২৮ বলে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ৫০ রানের ইনিংস খেলা পাওয়েল আউট হলে জুটি ভাঙে। স্যাম কারেনের বলে লং অনে বল তালুবন্দি করেন হ্যারি ব্রুক। শেষ দিকে আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক আন্দ্রে রাসেল ১০ বলে ২ ছক্কায় করেন ১৪ রান। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৫২ বলে ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ৮২ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন কিং।
ইংল্যান্ডের পক্ষে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আদিল রশিদ ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে পান ২ উইকেট। ৩০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন টাইমল মিলস।
লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ৯ রানের মাথায় অধিনায়ক জস বাটলারের উইকেট হারায় অতিথি দল। ফিল সল্ট ২৫ ও উইল জ্যাকস ২৪ রান করে আলঝারি জোসেফের শিকারে পরিণত হন। লিয়াম লিভিংস্টোন ভালো শুরু পেলেও ৯ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ব্রুকের বিদায়ে ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১০৮ রান।
চার নম্বরে নামা স্যাম কারেন ৩২ বলে ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রান করে হাল ধরে রেখেছিলেন। জোসেফের বলে আকিল হোসেনের হাতে ধরা পড়লে তার ইনিংস থামে। দুই রানের বেশি তুলতে পারেননি ক্রিস ওকস।
শেষদিকে মঈন আলী ১৩ বলে এক চার ও ২ ছক্কায় ২২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। রেহান আহমেদ ৩ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। যদিও তা দলকে জয়ের বন্দরে নেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ক্যারিবীয়দের পক্ষে ৩৯ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন জোসেফ। আকিল ২৪ রানের বিনিময়ে পান ২ উইকেট।







