প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়া, সেখান থেকে সমতায় ফেরা এবং যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটের গোলে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়া। ইংল্যান্ডের প্রত্যাবর্তনের গল্পটা এমন। যার অন্যতম নায়ক গোলে অ্যাসিস্ট করা কোল পালমার। ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণী স্কোরার ওলি ওয়াটকিন্স ম্যাচের পর পালমারকে সেই কৃতিত্ব দিয়েছেন।
৯১ মিনিটে গোল করা ওয়াটকিন্স বলেছেন, ‘অবিশ্বাস্য, সপ্তাহের পর সপ্তাহ আমি এই মুহুর্তটির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। যেখানে আছি, সে পর্যন্ত যেতে আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। আমি কৃতজ্ঞ যে, সেই সুযোগটি পেয়েছি এবং এটাকে কাজে লাগাতে পেরেছি।’
‘শপথ করে বলছি, কোল পালমারকে বলেছিলাম, আমরা নামতে চলেছি এবং তুমি আমাকে এমন একটা সেটআপ দিতে চলেছ। এবং, সে কারণেই পালমারকে নিয়ে আমি দারুণ খুশি।’
ইপিএলে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা ২৮ বর্ষী তারকা বলছেন, ‘আমি জানতাম যখনই সে বল পাবে, আমাকে দিয়ে খেলাবে এবং তার জন্য আমাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সে যখন এভাবে বল দিলো এবং গোল করতে পারলাম, এটা অন্যতম ভালো লাগার মতো বিষয়।’
এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোর ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। শিরোপা জিততে পারলে ২০১৬ সালে দায়িত্ব নেয়া গ্যারেথ সাউথগেটের প্রথম সাফল্য হবে। অন্যদিকে ১৯৬৬ সালের পর বড় কোনো শিরোপা জিতবে ইংল্যান্ড।









