নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে মার্কিন প্রশাসনে ইলন মাস্কের ভূমিকা এবং তার মাদক ব্যবহার নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মাস্ক নিয়মিত কেটামিন, একস্ট্যাসি এবং সাইকেডেলিক মাশরুমের মতো মাদক গ্রহণ করতেন, যা তার প্রভাবশালী দায়িত্ব পালনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
আজ ৩১ মে শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মাস্ক। একটি অনুষ্ঠানে ফক্স নিউজের পিটার ডুসি মাস্কের কাছে হোয়াইট হাউসের দায়িত্বকালে তার মাদক ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে মাস্ক তির্যকভাবে বলেন, নিউ ইয়র্ক টাইমস—এটা কি সেই সংবাদমাধ্যম নয় যারা রাশিয়া-গেট নিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট করে পুলিৎজার পেয়েছিল? মনে হচ্ছে তাই।
এরপর তিনি ট্রাম্পের দিকে ঘুরে বলেন, বিচারক তো বলেই দিয়েছেন যে নিউ ইয়র্ক টাইমস মিথ্যা বলেছে, তাদের পুলিৎজার ফেরত দেওয়া উচিত। ওই নিউ ইয়র্ক টাইমস? চলুন, এগিয়ে যাই।
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিদিনের ওষুধের বাক্সে প্রায় ২০টি ওষুধ বহন করতেন মাস্ক, যার মধ্যে অ্যাডেরালও ছিল বলে জানা গেছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, একস্ট্যাসি একটি শ্রেণি-১ নিয়ন্ত্রিত মাদক, যার কোনো চিকিৎসাগত ব্যবহার নেই এবং এটি ফেডারেল কর্মীদের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদিও মাস্ক বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে এসব কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় পড়েননি।
তবে কেটামিন, যেটি শ্রেণি-৩ মাদক হিসেবে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে ব্যবহৃত হতে পারে, তা বিনোদনমূলকভাবে ব্যবহার করা ফেডারেল নীতিমালার পরিপন্থী। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় মাস্ক ২৭৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেন রিপাবলিকান প্রচারণায়, এরপরই ‘ডোজ’ নামে একটি কথিত দপ্তরের নেতৃত্ব দেন। প্রশাসনে তার প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার আচরণ নিয়েও উদ্বেগ বাড়তে থাকে।
এই বিষয়ে হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে উপ-প্রধান স্টাফ স্টিফেন মিলার সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, আমরা যে মাদক নিয়ে চিন্তিত, তা তো দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে।









