টেক বিলিয়নেয়ার এবং ভবিষ্যৎ ট্রাম্প প্রশাসনের উপদেষ্টা ইলন মাস্ক জার্মান সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং জার্মানির নীতিকে ‘আত্মঘাতী সহানুভূতি’ বলে অভিহিত করেছেন
এনডিটিভি জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাতে ম্যাগডেবার্গের একটি ক্রিসমাস মার্কেটে সংঘটিত ভয়াবহ গাড়ি হামলার পর মাস্ক এই মন্তব্য করেন। হামলায় কমপক্ষে পাঁচজন নিহত এবং প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে সৌদি নাগরিক তালেব আব্দুল মোহসেনকে (৫০) চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি ২০০৬ সাল থেকে জার্মানিতে বসবাস করছেন।
জার্মান মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, আব্দুল মোহসেন ইসলামের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি রাখতেন এবং মুসলিম দেশ থেকে আসা শরণার্থীদের প্রতি জার্মানির নীতির বিরোধিতা করতেন। প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, হামলার পিছনে তার অসন্তোষ একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। জানা গেছে, সৌদি কর্তৃপক্ষ আব্দুল মোহসেনের প্রত্যর্পণ চেয়েছিল কিন্তু জার্মানি তখন তাদের অনুরোধকে প্রত্যাখ্যান করে।
ইলন মাস্ক তার মন্তব্যে জার্মান সরকারের সিদ্ধান্তকে তীব্র ভাষায় নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, এই ব্যক্তি স্পষ্টতই একজন সাইকোপ্যাথ যাকে কখনোই জার্মানিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল না। সৌদি আরব যখন প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তখন তাকে ফেরত পাঠানো উচিত ছিল। এটি জার্মানির আত্মঘাতী সহানুভূতি।
মাস্ক আরও বলেন, জার্মানি এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। আব্দুল মোহসেন একজন সৌদি পলাতক যাকে জার্মানি আশ্রয় দিয়েছে এমন একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, যে একজন খুনীকে হস্তান্তর করতে অস্বীকার করেছে সে কঠোর শাস্তির যোগ্য।









