রাজধানীর খিলক্ষেতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ঈদের সন্ধ্যায় একটি হাইব্রিড গাড়িতে কীভাবে আগুন লাগল তা স্পষ্ট না হলেও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, গাড়িটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সমন্বয়ে চালিত হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুন লাগতে পারে।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রোজিনা আকতার জানান, বিকেল ৫টা ২৪ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, গাড়িটি বিমানবন্দরের দিক থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দিয়ে বনানীর দিকে আসার পথে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। কীভাবে আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।
তিনি বলেন, পুড়ে যাওয়া গাড়িটির রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো ঘ -১৭-২৭২১।
দেশের শীর্ষস্থানীয় গাড়ি বাজারজাতকারী একটি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ইঞ্জিনের থেকে শক্তি নিয়ে রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাটারি নিজে থেকে চার্জ হওয়ার সুবিধা হাইব্রিড গাড়িতে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক ত্রুটি কিংবা গাড়িটির তেলের টাংকি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করা হলে কর্তব্যরত অফিসার জানান, পুড়ে যাওয়া ওই গাড়ির যাত্রী বা মালিক কাউকে এখনো পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ রি-কন্ডিশন ভেহিকলস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) জানায়, হাইব্রিড গাড়ি চলার জন্য প্রাথমিক শক্তি হিসেবে হাইব্রিড ব্যাটারি এবং দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়। ব্যাটারির চার্জ যদি শেষ হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন চালু হয়। ব্যাটারির শক্তি গাড়ির জন্য যথেষ্ট না হলে হাইব্রিড ব্যাটারি এবং ইঞ্জিন যৌথভাবে শক্তি উৎপাদন করে এবং গাড়ির চাকাকে গতিশীল রাখে।







