বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত প্রতিবেদন এখন জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত প্রভাব ফেলছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউএনডিপি ও মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)-এর সহযোগিতায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রতিবেদন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব নির্বাচনী আখ্যান আন্তর্জাতিক আস্থা, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং একটি দেশের গণতান্ত্রিক পরিপক্বতা সম্পর্কে ধারণাকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। নির্বাচনী বর্ণনা আন্তর্জাতিক আস্থা, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং একটি দেশের ভাবমূর্তি ও গণতান্ত্রিক পরিপক্বতাকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি সাংবাদিকদের ওপর বিশেষ দায়িত্ব আরোপ করে, বিশেষত কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কাভার করার সময়।
লিলার নির্বাচনসংক্রান্ত প্রতিবেদনে নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা ও নৈতিক বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের কাজ কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যমগুলো নিবিড়ভাবে অনুসরণ করে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী ঘটনাবলি অবশ্যই বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে এবং জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিল ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আওতায়, বিশেষত শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান বিষয়ক লক্ষ্য-১৬ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিবেদন করতে হবে।
বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী মাইলফলকের দিকে এগোচ্ছে উল্লেখ করে লিলার বলেন, সাংবাদিকদের ভূমিকা একইসঙ্গে চ্যালেঞ্জিং এবং অপরিহার্য। গণতন্ত্র কেবল আইন ও প্রতিষ্ঠান দ্বারা টিকে থাকে না, বরং সচেতন নাগরিকদের মাধ্যমেও। সাংবাদিকরা সেই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।









