কক্সবাজারে টেকনাফে মাদককারবারীদের কাছে যমদূত হিসেবে পরিচিত জার্মান শেফার্ড গোত্রের পুরুষ প্রজাতির কুকুর ‘জ্যাক’। বিজিবির অতন্দ্রপ্রহরী গর্বিত সিপাহী পদমর্যাদার একজন সদস্য সে। ৬৪ বিজিবির কে-৯ ইউনিটের সদস্য জ্যাক।
জ্যাকের বয়স ৩ বছর এবং ওজন ২৯ কেজি। বিজিবির কে-৯ ইউনিটেই তার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে জ্যাক তার কর্মস্থলে যোগদান করার পর টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে তার অবদান দৃ্শ্যমান হয়। জ্যাকের কর্মস্থল কক্সবাজার টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া শিলখালী চেকপোস্টে। সেখানে যাত্রী, গাড়ি, ব্যাগ তল্লাশি করে জ্যাক।
পর্যটন শহর কক্সবাজারে সীমান্ত দিয়ে প্রচুর পরিমাণ মাদকদ্রব্য চোরাচালান করা হয়। মাদকচক্রের কাছে এক আতংকের নাম জ্যাক।সেখানে দূর্দান্ত সব অভিযানে সফল হয়েছে সে। এ বছর ৩২২৭০ পিস ইয়াবা বিভিন্ন ধরনের মাদক শনাক্ত করেছে সে। জ্যাকের সহযোগিতায় ৭জন মাদককারবারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জ্যাকের প্রশিক্ষক ও দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা বিজিবি সদস্য লেন্স নায়ক অতুনু বড়ুয়া বলেন, বিভিন্ন ধরনের অভিযানে আমাদের সাহায্য করে জ্যাক। তার তীক্ষ্ণ নজর ও প্রখর ঘ্রান শক্তির কাছে হার মানে মাদককারবারীরা।
বিজিবির আরেক সদস্য সুবেদার মোহাম্মদ নুর ইসলাম বলেন অল্প কয়েকদিনে দুটি সফল অভিযান সফল হয়েছে জ্যাকের মাধ্যমে। যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি না জ্যাক সেখানে পৌছে গিয়ে মাদক দ্রব্য শনাক্ত করতে পারে।
সম্প্রতি জ্যাকের সাথে ‘হেনরি’ নামে মাদকদ্রব্য শনাক্তকরন কাজে পারদর্শী আরেকটি ল্যাবরেডর রেট্রিভার প্রজাতির কুকুর যোগদান করেছে।









